fbpx

চট্টগ্রাম, শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯ , ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জলাবদ্ধতার ভয়াবহ রূপ ধারনের আশংকা

বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতে ডুবলো চট্টগ্রাম নগরী

আখতার হোসাইন প্রকাশ: ১৫ জুন, ২০১৯ ৬:৩১ : অপরাহ্ণ

আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন। আকাশ সারাক্ষণ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও বৃষ্টি হয়েছে মাত্র আধঘণ্টা। আর আধঘন্টার এক পশলা বৃষ্টিতে ডুবেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের নিম্নাঞ্চল। বৃষ্টির কারণে নগরীর প্রধান সড়কটিও তলিয়ে গেছে পানিতে। এতে জনদুর্ভোগও চরমে পৌঁছে।

আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামে একপশলা বৃষ্টি হয়। এই বৃষ্টিতে যেভাবে নগরী তলিয়ে গেছে তা দেখে নগর বাসীর আশংকা এ বছর চট্টগ্রামে ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে জলাব্ধতা। মেগা প্রকল্পের সুফল পাবে না নগরবাসী। সেবা মুলক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের অভাবেই এ জলাবদ্ধতার দিন দিন বৃষ্টি পাচ্ছে বলে মতামত ব্যক্ত করেছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

পতেঙ্গা আবহাওয়া দফতর জানায়, শনিবার দুপুর দেড়টা থেকে দুইটা পর্যন্ত আধঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়াবিদ ফরিদ আহমেদ সিটিজি টাইমসকে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টা আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। সেই সঙ্গে ঝড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে। এছাড়া মাঝারি আকারে বৃষ্টির সম্ভাবনাও আছে।

সরে জমিনে দেখা যায়, বৃষ্টিতে নগরের দু নম্বর গেট, মুরাদপুর, চকবাজার, বহদ্দারহাট, খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদের সিডিএ আবাসিক, ঘাষিয়া পাড়া, বাকলিয়া, হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকা ডুবে যায়। সেই সাথে খানাখন্দে ভরা রাস্তায় ব্যাহত হচ্ছে যানচলাচল। যান চলাচলে ব্যাঘাতের ফলে অনকে যাত্রীকে পানিতে মেনে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

চকবাজার হোমিও কলেজ এবং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠেও কোমন সমান পানি। এতে স্কুল ফেরত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এই পানি মাড়ি দিয়ে বাসায় যেতে মাধ্য হয়। অভিভাবক আবদুর রহিম জানান, ময়লা আর কর্দমাক্ত এই পানি দিয়ে চলাচলের কারণে শিশু শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের রোগাক্রান্তও হতে পারে। এদিকে বৃষ্টির কারণে নগরের অধিকাংশ রুটে গণপরিবহন শূন্য হয়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। এ সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকেও গণপরিবহন না পেয়ে অনেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি।

Print Friendly and PDF

———