চট্টগ্রাম, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯ , ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে ৫৩ দিনে শেষ হবে ভবন নির্মাণের অনুমোদন প্রক্রিয়া

সময় টিভি প্রকাশ: ৮ জুন, ২০১৯ ৭:৪০ : অপরাহ্ণ

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ভূমি ছাড়পত্র, নকশা অনুমোদনসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ৫৩ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিডিএ।

এসব প্রশাসনিক বিধি-বিধান আগে ১৩৫ দিনের মধ্যে শেষ করার জন্য সরকারের নির্দেশনা থাকলেও তা কয়েক বছর লেগে যেতো। আর এখন থেকে সময় এবং হয়রানি কমাতে এসব প্রক্রিয়া অনলাইনেই করা হবে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী রাজধানী ঢাকা এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামে যে কোনো বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রে ৪৫ দিন, বিশেষ প্রকল্প অনুমোদনে ৪৫ দিন, নকশা অনুমোদনে ৪৫ দিনসহ মোট ১৩৫ দিনে সব প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা।

কিন্তু নানা জটিলতায় বছরের পর বছর অপেক্ষা করার পাশাপাশি হয়রানির মুখে পড়তে হতো।

নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, ৪৫ দিনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও ৩ থেকে ৪ মাস লেগে যেতো, বার বার সিডিএ-তে যেতে হতো। ফাইল কোথায় আছে দেখা বের করা সব কিছু মিলিয়ে এটা একটা বিরক্তিকর বিষয়। সেখান থেকে আমরা উত্তরণের উপায় চাই।

অবশেষে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ১৩৫ দিনের পরিবর্তে ৫৩ দিনে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে ভূমি ছাড়পত্র, ১৫ দিনে বিশেষ প্রকল্প এবং ২০ দিনের মধ্যে নকশা অনুমোদন দিতে হবে।

সিডিএ’র প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি শাহীনুল ইসলাম খান বলেন, মানুষের যাতে কম হয়রানি হয়, যাতে কম খরচে সেবা পায়, তার জন্যে এই মাসেই আমরা চালু করছি। আমরা সর্বোচ্চ ২০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দেবো।

সে সাথে ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত সব আবেদনই অনলাইনে জমা দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে নতুন নির্দেশনায়। একইসাথে নির্মাণাধীন ভবনের স্থপতি এবং প্রকৌশলীদের তথ্যও ভেরিফিকেশন হবে অনলাইনে।

সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী কৌশলী মোহাম্মদ শামীম বলেন, সফটওয়্যারে নকশা জমা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলে এসএমএস চলে যাবে। সেখানে ভেরিফিকেশন কোড থাকবে। তাতে ক্লিক করলে আমরা জানবো কোন স্থপতি এবং প্রকৌশলী নির্মাণ করছেন।

৬০ বর্গমাইলের এ চট্টগ্রামে ছোট-বড় বহুতল ভবন রয়েছে প্রায় এক লাখ। এর মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানকারী ভবন রয়েছে প্রায় ৭০ হাজার।

Print Friendly and PDF

———