fbpx

চট্টগ্রাম, রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯ , ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সিন্ডিকেটে বেসামাল মিরসরাইয়েরসবজি বাজার, মনিটরিং নেই প্রশাসনের

এম মাঈন উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রকাশ: ১৫ মে, ২০১৯ ৩:৩২ : অপরাহ্ণ

পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে মিরসরাইয়ে বেসামাল হয়ে উঠেছে সবজির বাজার। একেক দোকানে একেক দামে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্য। বাজার দরের এমন উর্ধ্বগতির কারনে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা পড়েছেন সংকটে। বাজার করতে গিয়ে ক্রেতারা আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে পারছেন না।

উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভায় অবস্থিত বাজারগুলোর একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু প্রশাসনের মনিটরিং ও কোন ধরনের অভিযান চোখে পড়েনি।

বারইয়ারহাট কাঁচা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, একটি সবজি বোঝাই ট্রাক এসে দাঁড়িয়েছে। চারিদিক থেকে বিভিন্ন দোকানের শ্রমিকরা মাল নামাচ্ছে। একইসময় চারিদিক থেকে খুচরা বিক্রেতারাও জড়ো হয়।

তবে ক্রয়ের কোন রশিদ দেননা পাইকাররা। শুধুমাত্র পাইকারি বাজার থেকে যে দামে সবজি বিক্রি করতে বলা হয় সেই দামে বিক্রি হয় খুচরা বাজারে। খেয়াল-খুশিমতো দাম নিচ্ছে খুচরা বিক্রেতারা।

জানা গেছে, রোজার একদিন আগেও মারপা প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে পাইকারী ৮ থেকে ১০ টাকা। আর রোজা শুরু পর থেকে তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩২ টাকায়। ২৫ টাকার শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, ২৫ টাকার টমোটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এছাড়া বেগুন ৫৫ টাকা, পটল ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা, বরবটি ৫০টাকা, কুমড়া ৪০, গাজর ৫০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, কপি ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম এক মাসে ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারী আড়ৎদাররা বাজারে পর্যাপ্ত সবজি থাকলেও ইচ্ছে করেই কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেয়। এতে আমাদের কিছু করার থাকে না।

মিঠাছড়া বাজারে আসা চাকরীজীবি মেহেদী হাসান বলেন, রোজা শুরুর একদিন আগেও বিভিন্ন সবজির যে দাম ছিল, রোজা শুরু হওয়া মাত্রই কেজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়ে গেছে। এসব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের মনিটরিং প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, কোন ব্যবসায়ী রমজানে আইন অমান্য করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ালে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Print Friendly and PDF

———