চট্টগ্রাম, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯

সব হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপণ মহড়ার নির্দেশ

প্রকাশ: ২০১৯-০৪-০৪ ১৫:৪৮:২৫

দেশের সব হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ও যন্ত্রপাতি পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে ফায়ার অ্যালার্ম, স্মোক ডিটেকটর ও হোস পাইপসহ উন্নত ব্যবস্থা থাকবে। ইতোমধ্যে আমরা এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।

সর্বশেষ এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতদের সহায়তায় সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। কেউ বিনা চিকিৎসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার পরিস্থিতি কেমন। এ ছাড়া গত সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে।

এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে- জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা সব হাসপাতালে একটা নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি, যদি অগ্নি দুর্ঘটনা ঘটে সেটাকে মোকাবেলা করার জন্য কী পদেক্ষপ নেবেন। এ ছাড়া আমরা কয়েকটি জিনিস বলেছি, ইমিডিয়েট অগ্নি মহড়া করবে।

যেসব যন্ত্রপাতি রয়েছে, সেগুলো পরীক্ষার জন্য বলেছি। যেগুলো সচল নয় সেগুলো লাগিয়ে দেয়ার জন্য বলেছি। নতুন ফায়ার ইস্টিংগুইশার দেব আমরা।’

তিনি বলেন, ‘আমরা একটা বড় পরিকল্পনা নিয়েছি, তবে এটায় সময় লাগবে। সব হাসপাতালে আধুনিক ব্যবস্থা হিসেবে ফায়ার অ্যালার্ম, ধোঁয়া শনাক্তকরণ যন্ত্র সব হাসপাতালে এসব স্থাপন করা হবে।’

সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা কর্ণার খোলা হবে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘শহরেও তো দরিদ্র জনগোষ্ঠী আছে। তাদের স্বাস্থ্য সেবা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন দিয়ে থাকে।

আমরা চিন্তা করেছি, হাসপাতালগুলোতে একটা ছোট্ট কর্ণার করার পরিকল্পনা আছে। প্রাইমারি হেলথ কেয়ার দেয়া হবে। আমরা বিভিন্ন কর্ণার তৈরি করেছি, মা ও শিশুদের জন্য অটিস্টিক, শিশুদের জন্য প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের জন্য একটি ডেডিকেটেড কর্ণার আমরা করতে চাই।

যাতে ছোট অসুখ-বিসুখের জন্য ওখানে তারা প্রাইমারি হেলথ কেয়ারটা পাবেন। এর মাধ্যমেই আমরা সমতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য ১৫ হাজার নার্স নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়াও ১০ হাজার ডাক্তার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে, আগামী মাসে নিয়োগ সম্পন্ন হবে।