চট্টগ্রাম, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯

খাগড়াছড়িতে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ২০১৯-০৩-২৯ ১৪:২৫:৩২

খাগড়াছড়ির নুনছড়ি এলাকায় ইউপি সদস্য কালীবন্ধু ত্রিপুরাকে (৬০) কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। কালীবন্ধু ত্রিপুরা খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) সকাল ১০টার দিকেএ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় কালীবন্ধু ত্রিপুরার পরিবারের নারী ও শিশুসহ ৭ জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন- কালিবন্ধু ত্রিপুরার স্ত্রী রেমাপ্রতি ত্রিপুরা (৫৭), ছেলে প্রদীপ ত্রিপুরা (২৪), যত্ন বিকাশ ত্রিপুরা (৩০), আত্মীয় অরুনা ত্রিপুরা (৩৫), রুপবালা ত্রিপুরা (৩৫), বিদ্যারতন ত্রিপুরা (৩৫) ও উৎপল ত্রিপুরা।

খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম সালাউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পূর্বশক্রতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ ও আহতরা জানায়, দীর্ঘ দুই বছর পর চান্দের গাড়ি ও মোটরসাইকেলে করে স্ব-পরিবারে গ্রামে ফেরার পথে নিহার বিন্দু ত্রিপুরার নেতৃত্বে ৩০/৪০ জন সন্ত্রাসী তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এ সময় ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান ইউপি সদস্য কালী বন্ধু ত্রিপুরা।

খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আম্রে মারমা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কালো বন্ধু ত্রিপুরা ও চিরঞ্জিত ত্রিপুরার মধ্যে ভূমি বিরোধ ছিল। দুইবছর আগে চিরঞ্জিত খুন হওয়ার পর থেকে এলাকা ছাড়া ছিল কালো বন্ধু ত্রিপুরাসহ তার স্বজন সমর্থকরা। দীর্ঘদিন পর সকালে এলাকায় ফেরার পথে তাদের ওপর হামলা হয়েছে শুনে হাসপাতালে দেখতে আসছি।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক নয়নময় ত্রিপুরা জানান, নিহত ও আহতদের মাথা, হাত ও পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের জখম রয়েছে। আহতদের মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রদীপ ত্রিপুরা ও যতন ত্রিপুরাকে চট্টগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১১ মে রাতে ভূমি বিরোধের জেরে পিতা-পুত্র খুনের ঘটনায় প্রধান আসামী হিসেবে অভিযুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে ও এলাকা ছাড়া ছিল নিহত কালো বন্ধু ত্রিপুরাসহ তার সমর্থকরা। দীর্ঘ দুই বছর পর নিজের বসতবাড়িতে ফিরছিল কালো বন্ধুসহ তার সমর্থকরা।