চট্টগ্রাম, ১০ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

চন্দনাইশে গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ কনস্টেবলকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় প্রেরণ

প্রকাশ: ২৪ মার্চ, ২০১৯ ৮:২৩ : অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় ভোটকেন্দ্র দখল নিয়ে গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ পুলিশ কনস্টেবল ফরহাদ হোসেনকে গুরুতর অবস্থায় হেলিকপ্টারে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার।

তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখলকে কেন্দ্র করে গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্য ফরহাদসহ দুইজনকে আজ রোববার সকাল পৌনে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।

এর মধ্যে ফরহাদের অবস্থা বেগতিক দেখে দুপুর ১২টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে তাকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার দেড় ঘণ্টা পর ভোটকেন্দ্র দখল নিয়ে গোলাগুলি হয়।

এতে এক পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধসহ পাঁচ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যসহ দুইজনকে তাৎক্ষণিক চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেশব চক্রবর্তী বলেন, রোববার সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার দেড়ঘণ্টা পর পৌনে ১০টার দিকে চন্দনাইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ চলছিল। হঠাৎ শত খানেক লোক একত্রিত হয়ে বুথে প্রবেশ করে ভোটকেন্দ্র দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে।

এতে পুলিশ তাদের বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়লে ভোটকেন্দ্র দখলে নিতে আসা দুর্বৃত্তরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। এক পর্যায়ে তারা পিছু হটে।

পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সদস্য ফরহাদ হোসেন (৩০) কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমসহ অন্তত পাঁচ জন আহত হয়েছে।

পূর্ব চন্দনাইশ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মতিন জানিয়েছেন, গোলাগুলির ঘটনার পর সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে নিলে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) আফরুজুল হক টুটুল জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।