চট্টগ্রাম, ৭ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯

স্কুলছাত্র অপহরণের অন্যতম মূল হোতা গ্রেফতার

প্রকাশ: ১৮ মার্চ, ২০১৯ ৭:০৩ : অপরাহ্ণ

শহরে স্কুলছাত্র অপহরণের ঘটনার অন্যতম মূল হোতাকে দেড় মাস পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জব্দ করেছে অপহরণে ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটিও।

রোববার রাতে বাকলিয়া থানার মাস্টারপুল খেজুরতলী এলাকা থেকে মো. জসিমকে (২৬) গ্রেফতারের পর শহরের সাবএরিয়া এলাকা থেকে প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।

গ্রেফতার জসিম কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানার উনজুরি ইউনিয়নের ডলাহাসা গ্রামের মৃত রবিউল্লাহর ছেলে। শহরের মাস্টারপুলের খেজুরতলা আব্দুর রহমানের ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতো।

জসিম শহরের লালদিঘীর পাড় রেন্ট এ কার এর প্রাইভেট কার ও মাইক্রো বাসের মালিক।

কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুজ্জামান জানান, ২৪ জানুয়ারি মুসলিম হাইস্কুলের ছাত্র সাইফুল ইসলাম শামীদকে অপহরণ করা হয়।

“ওই ঘটনায় প্রাইভেট কার দেয় জসিম। জসিম স্কুল ছুটি হওয়ার পর বাচ্চাটিকে বলে তোমার বাবার গাড়ি নষ্ট, আমরা তোমাকে পৌছে দেব। পরে শিশুটিকে প্রাইভেট কারে উঠিয়ে আন্দরকিল্লা, সাব এরিয়ার দিকে যায়।জসিম তাহার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে অপহরণকৃত বাচ্চাটিকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে চুপ থাকার জন্য বলে। অন্য অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে বাদীর কাছে মুক্তিপণের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করে।”

অপহৃত শামীদের বাবা ব্যবসায়ী শামসুল ইসলাম মুক্তিপন দাবির বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশের অভিযান টের পেয়ে শামীদকে (১১) ঘাটফরহাদবেগ এলাকায় নামিয়ে দিয়ে যায় অপহরণকারীরা।

এ ঘটনায় মো. সাইফুল ইসলাম স্বপন (৩০) ও মো. আলমগীরকে (২৫) আগেই গ্রেফতার করে পুলিশ।

জসিম জানিয়েছে, ঘটনার আগের দিন শামসুল ইসলামের গাড়ির চালক ওই ছাত্রকে চিনিয়ে দেয়। সেদিন সিনেমা প্যালেস এলাকায় জসিমসহ অন্যরা মিলে অপহরণের পরিকল্পনা করে।

শামসুল ইসলাম ব্যবসায়ী এবং ছেলে অপহৃত হলে মোটা অংকের মুক্তিপণ পাওয়া যাবে এমন পরিকল্পনা থেকেই শামীদকে অপহরণ করা হয়। পূর্ব পরিকল্পনা মত অপহরণের কাজে প্রাইভেট কার সরবরাহ করে জসিম।