চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯

গণফোরামের সুলতান মনসুর এখন সংসদ সদস্য

প্রকাশ: ২০১৯-০৩-০৭ ১২:৩৩:১৭ || আপডেট: ২০১৯-০৩-০৭ ১২:৩৫:৫৭

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিত গণফোরাম নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বেলা ১১ টার পর জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে নতুন এই সংসদ সদস্যকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান।

এর আগে বুধবার দুপুরে সুলতান মনসুর শপথ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। দল অনুমতি না দিলেও শপথের বিষয়ে অনড় থাকবেন বলেও জানান তিনি। তাতে দল তাকে বহিষ্কার করলেও কিছু যায় আসে না বলে মন্তব্য করেন সুলতান মনসুর।

এর আগে, গত শনিবার (২ মার্চ) সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে বিজয়ী গণফোরামের দুই নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ও মোকাব্বির খান। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে এই নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করা হয়। ফলে বিএনপি ছয় জনসহ ঐক্যফ্রন্টের আট প্রার্থীর শপথ গ্রহণ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগসহ অন্য রাজনৈতিক দলের বিজয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে শপথ নেননি ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ী আট প্রার্থী। তবে পরে গণফোরামের দুই প্রার্থী ঘোষণা দেন, তারা শপথ নেবেন। সেই অনুযায়ী স্পিকারকে চিঠিও দেন তারা। জানান, ৭ মার্চ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন তারা।

এদিকে, এদিকে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন গণফোরামের একাধিক নেতা। এ ক্ষেত্রে আইনি বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা কী হতে পারে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (৫ মার্চ) বিকেলে বৈঠকে বসেন গণফোরাম নেতারা। তবে ওই বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় বুধবার (৬ মার্চ) বিকেলেও মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে বৈঠকে বসেন তারা।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে গণফোরামের প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে জয়ী হন সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। ১৯৯৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে জয় পেয়েছিলেন, সংসদ সদস্য ছিলেন ২০০১ সাল পর্যন্ত। অন্যদিকে, মোকাব্বির খান সিলেট-২ আসনে গণফোরামের প্রার্থী হিসেবে উদীয়মান সূর্য প্রতীকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমর্থন নিয়ে জয়ী হন এবারের নির্বাচনে।