চট্টগ্রাম, , রোববার, ২৪ মার্চ ২০১৯

সড়কের বেহাল দশা : দেখার কেউ নেই

প্রকাশ: ২০১৯-০৩-০৫ ২২:২৭:২২ || আপডেট: ২০১৯-০৩-০৬ ১৩:২২:১৫

আখতার হোসাইন

চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ সড়কের উন্নয়ন কাজ চলছে। এই উন্নয়নের প্রসব বেদনায় অতিষ্টও নগরবাসী। নগরীর আরাকান সড়ক, পোর্ট কানেক্টিং সড়ক, আগ্রাবাদ এক্্েরস রোড়, বহদ্দারহাট-কালুরঘাট সড়কসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশার ফলে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করলেও দেখার কেউ নেই। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা সভা-সমাবেশে ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে উন্নয়নের বুলি উড়িয়ে বলছে উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নয়নের জন্য কষ্টও সহ্য করতে হবে। অন্যদিকে সাধারণ জনতা বলছে এই উন্নয়নের প্রসব বেদনা নগরবাসীকে কত বছর সহ্য করতে হবে? কিছু কিছু সড়কে বিকল্প ব্যবস্থা না রেখেই সড়ক নির্মান ও কালভার্ট নির্মানের কাজ শুরু করেছে ফলে সাধারণ জনগণ ও হাসপাতালমুখী রোগীদের কষ্টের সীমনা ছড়িয়ে পড়ছে।

দেখা গেছে, দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে বন্ধ নগরীর বহদ্দারহাট-কালুরঘাট সড়কের একাংশ। একপাশে কোন রকমে মেরামত করে চলাচলের উপযোগি করা হলেও জ্যাম এবং বসন্তের বৃষ্টিতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে আবারও নষ্ট হয়ে পড়েছে সড়কটি। বহদ্দারহাট ফ্লাই ওভার লোপের মুখে প্রতিদিন দীর্ঘ যানযট সৃষ্টি হচ্ছে। আবাসিকের বাসিন্দা আবদুল মতির জানান, সামান্য আধা কিলোমিটার সড়ক পাড়ি দিতে প্রায় ঘন্টা খানিক সময় জ্যামে আটকা থাকতে হয়। সড়কের উপর যত্রতত্র মালামাল রেখে একপাশ অযথা বন্ধ রাখা হয়েছে। র্তপক্ষও কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরাকান সড়কটির উন্নয়ন কাজের ফলে বাকলিয়া, পূর্ব ষোলশহর ও দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে আগত লোকজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে সকালে স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থী ও গার্মেন্ট শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত বেকায়দায় পড়ছে এবং সময় নষ্ট হচ্ছে। কাজের ধীর গতির অভিযোগও তুলছে এলাকাবাসী।

আগ্রাবাদ এক্সেস রোড়েরও বেহাল অবস্থা দীর্ঘ ৫বছর। পানির নিচে তলিয়ে থাকার এই সড়কটির উন্নয়ন কাজ চলছে ধীরগতিতে। উচু করণ প্রক্রিয়ায় এলাকাবাসী জিম্মি হয়ে পড়েছে। ধুলাবালির পাশাপাশি চলাচলের অযোগ্য সড়কটি কবে উন্নয়ন কাজ শেষ হবে এই প্রশ্ন সকলের।

পোর্ট কানেক্টিং সড়কটিও যথা সময়ে উন্নয়ন কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। এছাড়াও নগরীর অলি গলিতে ওয়াসার পাইপ লাইনের কাজের জন্য অধিকাংশ সড়ক কাটা হলেও তা এখনো মেরামত করা হয়নি ফলে পুরো নগরবাসীকে সড়কে নরখ যন্ত্রণা সহ্য করে নিত্য দিনের কাজ করতে হচ্ছে।

ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, মদুনাঘাট পানি শোদনাগারের কাজ শেষ হওয়ার পর অর্থাৎ আমরা ৮মাস আগেই সিটি কর্পোরেশনকে অফিসিয়ালি চিঠি দিয়ে বহদ্দারহাট-কাপ্তাই সড়কটি বুঝিয়ে দিয়েছি। দেওনা পাওনাও দেয়া হয়েছে।