চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯

জব্দ বিমানটি ১০ দিন পর চলাচল করতে পারবে

প্রকাশ: ২০১৯-০২-২৭ ১৭:২৩:৩৭ || আপডেট: ২০১৯-০২-২৭ ১৭:২৩:৪৭

চট্টগ্রামে বিমান ছিনতাই চেষ্টা মামলায় আলামত হিসেবে জব্দ করা বিমানটি মেরামতের পর ১০ দিনের মধ্যে চলাচলের জন্য প্রস্তুত হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন সচিব। সরকার নিয়োজিত কৌঁসুলি বলছেন, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের জব্দ করা বিমানটি চলাচল করতে পারবে।

এদিকে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট জানিয়েছে, চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টার ঘটনায় ময়ূরপঙ্খীর পাইলট এবং ক্রুদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সেইসঙ্গে ছিনতাই চেষ্টায় ব্যবহৃত পিস্তল এবং নকল বোমাগুলোও পরীক্ষা করা হবে।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, বিমান ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত পিস্তলটি ছিল প্লাস্টিকের তৈরি সাদামাটা খেলনা। আর বোমাটিও ছিলো একেবারে কাঁচা হাতে তৈরি। এতে একটি ঘড়িও লাগানো ছিল।

বিমান ছিনতাই মামলায় ইতোমধ্যে বিমানটিকেও জব্দ করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। তবে ছিনতাই রহস্য উন্মোচনে বিমানটির দায়িত্বরত পাইলট, কো-পাইলট এবং ক্রুদের জিজ্ঞাসাবাদের কথা জানালেন সিএমপি কমিশনার।

কমিশনার মাহবুবর রহমান বলেন, মামলাটি তদন্ত চলবে। তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে স্বাক্ষী হিসাবে ক্রু, যাত্রী সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এদিকে বিমান পরিবহন সচিব মো. মহিবুল হক জানান, ছিনতাইয়ের কবলে পড়া বিমানটিকে ঢাকায় নিয়ে মেরামতের পর উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুতে সময় লাগবে ১০ দিন। বিমানটি বাংলাদেশ বিমানের জিম্মাতেই আছে। বিমানে সামান্য কিছু ক্ষতি হয়েছে, এটাকে খুব দ্রুত ঠিক করে উড্ডয়নের জন্য নিতে চাচ্ছি।

এদিকে শত কোটি টাকা মূল্যের বিমানটি আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে বলে জানিয়েছেন সরকার নিয়োজিত কৌঁসুলি। চট্টগ্রাম মহানগর আদালত পি পি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ বিমান এটি ব্যবহার করতে পারবে। তবে যে জিনিসগুলো আলামত হিসেবে কোর্টে দেয়া হবে সেগুলো যেন নিখুঁত থাকে।

রোববার বিকেলে ঢাকা থেকে দুবাই যাওয়ার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম আসার পথে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে। সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরে জরুরি অবতরণ করে। এরপর ৮ মিনিটের কমান্ডো অভিযানে মারা যায় ছিনতাইকারী পলাশ আহমেদ।