চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯

জামায়াতে ইসলামীর অন্তঃকলহ প্রকাশ্য

প্রকাশ: ২০১৯-০২-১৬ ১২:৩৮:৫৩ || আপডেট: ২০১৯-০২-১৬ ১৬:৪৮:৫৫

জামায়াতের রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। গত বৃহস্পতিবার তিনি যুক্তরাজ্য থেকে দলের আমির মকবুল আহমাদকে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পদত্যাগপত্রে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী মোটা দাগে দুটি কারণ সামনে এনেছেন।

এর একটি হলো, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতার জন্য জনগণের কাছে জামায়াতের ক্ষমা না চাওয়া। এই ইস্যুতে দলটি কখনো তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি বলে মনে করেন রাজ্জাক। দ্বিতীয় কারণটি হলো, তিনি মনে করেন, একবিংশ শতাব্দীর বাস্তবতার আলোকে ও অন্যান্য মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে বিবেচনায় এনে জামায়াতের বর্তমান নেতারা দলের আদর্শ ও কর্মসূচিতে সময়োপযোগী পরিবর্তন আনেননি। এসব বিষয়ে তিনি ২০ বছর ধরে দলীয় ফোরামে লিখিত প্রস্তাব দিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি জামায়াত নেতাদের ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকার জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, অন্য মুসলিম সংখ্যাঘরিষ্ঠ দেশের গণতান্ত্রিক সংবিধানের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি ঢেলে সাজাতে হবে। রাজ্জাকের এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামীতে অনেক দিন ধরে চাপা থাকা অন্তঃকলহ প্রকাশ পেল।

জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির ৫ দিন পর ২০১৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর ঢাকা ছাড়েন ব্যারিস্টার রাজ্জাক। এরপর থেকে তিনি ব্রিটেনেই আছেন। ব্রিটিশ নাগরিকত্বধারী এই আইনজীবী সেখান থেকেই পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। তার এই পদত্যাগ ইস্যুটি এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। কারণ জামায়াতের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো নেতা ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগ করলেন। ২০১০ সাল থেকে তিনি যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে শীর্ষ জামায়াত নেতাদের আইনজীবী দলের নেতৃত্বে ছিলেন।

রাজ্জাকের বড় ছেলে ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী জানান, গতকাল শুক্রবার জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদকে ওই পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তার বাবা। আবদুর রাজ্জাকের ব্যক্তিগত সহকারী কাউসার হামিদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক দুটি কারণ উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগ করেছেন। একটি হলো জামায়াত ৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করার জন্য জগণের কাছে ক্ষমা চায়নি এবং দ্বিতীয় কারণটি হলো একবিংশ শতাব্দীর বাস্তবতার আলোকে এবং অন্যান্য মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে বিবেচনায় এনে নিজেদের সংস্কার করতে পারেনি।

পদত্যাগপত্রে রাজ্জাক জামায়াতের আমিরকে ‘পরম শ্রদ্ধেয় মকবুল ভাই’ সম্বোধন করে লিখেছেন, একাত্তরে মুক্তিদ্ধের বিরোধিতা-পরবর্তীকালে জামায়াতের সব সাফল্য ও অর্জন ম্লান করে দিয়েছে। রাজ্জাক লিখেছেন, গত প্রায় দুই দশক তিনি জামায়াতকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকা ও পাকিস্তান সমর্থনের কারণ উল্লেখ করে জাতির কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমি সব সময় বিশ্বাস করেছি এবং এখনো করি, ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে নেতিবাচক ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়া শুধু নৈতিক দায়িত্বই নয় বরং তৎপরবর্তী প্রজন্মকে দায়মুক্ত করার জন্য অত্যন্ত জরুরি কর্তব্য।

লন্ডনে আইন পড়া রাজ্জাক ১৯৮৬ সালে দেশে ফিরে অ্যাডভোকেট হিসেবে এনরোলমেন্ট নেন। ওই সময় থেকেই তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তবে আইনজীবী হিসেবে রাজ্জাকের নাম আলোচনায় আসে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর। ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হলে তাদের প্রধান আইনজীবী হিসেবে আদালতে দাঁড়ান রাজ্জাক।

রাজ্জাকের উপলব্ধি, রাজ্জাকের খেদ : রাজ্জাক তার পদত্যাগপত্রের এক জায়গায় লিখেছেন, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে শীর্ষ জামায়াত নেতাদের মামলা তিনি ‘সততা ও একাগ্রতার সঙ্গেই’ পরিচালনা করেছেন। আবার আরেক জায়গায় তিনি লিখেছেন, একাত্তরে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের উপলব্ধি ও মুক্তির আকাক্সক্ষার বিপরীতে দাঁড়িয়ে তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল বলে মনে করেন তিনি।

রাজ্জাক লিখেছেন, একাত্তরের ভূমিকার জন্য ‘গ্রহণযোগ্য বক্তব্য প্রদানের ব্যর্থতা এবং ক্ষমা না চাওয়ার দায়ভার’ এখন তাদেরও নিতে হচ্ছে, যারা তখন ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িত ছিল না, এমনকি যাদের তখন জন্মও হয়নি। এই ক্রমাগত ব্যর্থতা জামায়াতকে স্বাধীনতাবিরোধী দল হিসেবে আখ্যায়িত করার ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ামকের ভূমিকা পালন করছে। ফলে জামায়াত জনগণ, গণরাজনীতি এবং দেশবিমুখ দলে পরিণত হয়েছে।

দলীয় ফোরামে কবে কখন কীভাবে তিনি এ বিষয়ে যুক্তি দিয়েছেন, তার একটি তালিকা পদত্যাগপত্রে তুলে ধরেছেন এই আইনজীবী। তিনি লিখেছেন, সবশেষে, ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর জানুয়ারি মাসে জামায়াতের করণীয় সম্পর্কে আমার মতামত চাওয়া হয়। আমি যুদ্ধকালীন জামায়াতের ভূমিকা সম্পর্কে দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিই। অন্য কোনো বিকল্প না পেয়ে বলেছিলাম, জামায়াত বিলুপ্ত করে দিন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমার তিন দশকের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

পদত্যাগপত্রে রাজ্জাক বলেছেন, অতীতে অনেকবার পদত্যাগের কথা ভাবলেও তিনি নিজেকে বিরত রেখেছেন এই ভেবে, দলের সংস্কার করা সম্ভব হলে এবং একাত্তরের ভূমিকার জন্য জামায়াত জাতির কাছে ক্ষমা চাইলে তা হবে একটি ‘ঐতিহাসিক অর্জন’। কিন্তু জানুয়ারি মাসে জামায়াতের সর্বশেষ পদক্ষেপ আমাকে হতাশ করেছে। তাই পদত্যাগ করতে বাধ্য হলাম। এখন থেকে আমি নিজস্ব পেশায় আত্মনিয়োগ করতে চাই। সেই সঙ্গে ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধিশালী ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করব।

নতুন সংগঠনে যুক্ত হচ্ছি না : এদিকে সম্প্রতি নতুন নাম নিয়ে রাজনীতিতে আসছে জামায়াত— এমন খবর চাউর হয়েছে। এ সময়ে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগকে অনেকে ভিন্ন কৌশল হিসেবে দেখছেন। তবে গতকাল শুক্রবার টেলিফোনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, ‘জামায়াত থেকে পদত্যাগ করে নতুন কোনো সংগঠনে যুক্ত হওয়ার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।’ ইস্তফার কারণসহ এও জানিয়েছেন, তিনি তার নিজের পেশায় আত্মনিয়োগ করবেন। এদিকে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে তিনি রাজ্জাকের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘তার পদত্যাগে আমরা ব্যথিত ও মর্মাহত। পদত্যাগ করা যেকোনো সদস্যের স্বীকৃত অধিকার। আমরা দোয়া করি তিনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আমরা আশা করি তার সঙ্গে আমাদের মহব্বতের সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।’

জানা গেছে, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ভূমিকা পালনের জন্য জামায়াতে ইসলামী থেকে কোনো নেতার সরাসরি পদত্যাগের ঘটনা এই প্রথম। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক তার পদত্যাগপত্রে জানিয়েছেন— তিনি কয়েক দফায় জামায়াতকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দেন। ২০০১ সাল থেকে এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি তার পরামর্শ অব্যাহত রাখেন। এরই মধ্যে ২০০৭-০৮ সালে, ২০১১ সালে সর্বশেষ শূরার বৈঠকে, ২০১৬ সালের মার্চে, নভেম্বরে তিনি আমিরের কাছে লিখিতভাবে প্রস্তাব করেন।

জামায়াত অপসারণ নীতি ছিল : জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ও সিনিয়র নেতাদের পরিবারের সদস্যদের অনেকে বলছেন, জামায়াতে সংস্কারের প্রস্তাব তুলে কোনো নেতাই দলে থাকতে পারেননি। তবে এবার ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের পদত্যাগ বড় ঘটনা। দলের অনেকেই এটাকে পরবর্তী নতুন সংগঠনের কৌশল হিসেবে দেখছেন। যদিও বিগত দিনে যারাই জামায়াতের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকা প্রসঙ্গে বা সংস্কার চেয়ে কথা বলেছেন, তাদের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

১৯৮২ সালে জামায়াতের অনুজ সংগঠন ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের বাচ্চু। বর্তমানে ২০-দলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের মহাসচিব তিনি। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার প্রসঙ্গে নানা প্রশ্ন উত্থাপন করায় তাকেও সরে যেতে হয়েছে। একাত্তর সালে সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন ফরীদ আহমদ রেজাকেও একই কারণ অপসারণ করা হয়। ২০১৬ সালে জামায়াতে সংস্কারের প্রস্তাব এনেছিলেন প্রয়াত নেতা, রাজশাহী মহানগর আমির আতাউর রহমান। তিনি জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদের শ্বশুর। পরে ওই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি আতাউর রহমানকে কেন্দ্রীয় নায়েবে আমিরের পদ থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত প্রকাশ হয় দলে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান ২০১০ সালে কারাগার থেকে নতুন কৌশল প্রণয়নের জন্য চিঠি দিলেও তা আমলে নেয়নি জামায়াতের নেতৃত্ব। গত কয়েক বছর আগে দল থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর মোজ্জাম্মেল হক। তিনি জামায়াতের ভেতরে সংস্কারের পক্ষে কাজ করলেও তা গৃহীত হয়নি। বর্তমানে তিনি নিজেই একটি নির্দিষ্ট পরিম-লে কাজ করছেন। দলীয় ফোরামে জামায়াতকে সংস্কার ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রস্তাব করায় এ রকম অনেক নেতাকেই অপসারিত হয়েছেন বিভিন্ন সময়ে।

একনজরে জামায়াতে ইসলামী : জামায়াতে ইসলামীর সূচনা হয় উপমহাদেশের বিতর্কিত ধর্মীয় রাজনীতিক আবুল আলা মওদুদীর নেতৃত্বে ১৯৪১ সালের ২৬ আগস্ট, তখন এর নাম ছিল জামায়াতে ইসলামী হিন্দ। পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর মুসলিম পারিবারিক আইনের বিরোধিতা করায় ১৯৬৪ সালে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হলেও পরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলন যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখন ১১ দফাসহ বিভিন্ন দাবির বিরোধিতা করে জামায়াত। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করতে রাজাকার, আলবদর, আলশামস নামে বিভিন্ন দল গঠন করে জামায়াত ও এর তখনকার ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ। সে সময় তারা সারা দেশে ব্যাপক হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটের মতো যুদ্ধাপরাধ ঘটায়। সেই অপরাধে সর্বোচ্চ আদালতে এ পর্যন্ত জামায়াতের সাত শীর্ষ নেতার সাজা হয়েছে, তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়েছে।

১৯৭১ সালের পর স্বাধীন বাংলাদেশে জামায়াতের মতো ধর্মাশ্রয়ী দলগুলো নিষিদ্ধ হলেও বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান তাদের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ করে দেন। আর জিয়ার স্ত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে যুদ্ধাপরাধী দুই জামায়াত নেতাকে দেন মন্ত্রিত্ব। একাত্তরের ভূমিকার জন্য জামায়াতে ইসলামীকে ‘ক্রিমিনাল দল’ আখ্যায়িত করে আদালতের একটি রায়ে বলা হয়, দেশের কোনো সংস্থার শীর্ষ পদে স্বাধীনতাবিরোধীদের থাকা উচিত নয়। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় উচ্চ আদালতের নির্দেশ নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করেছে। ব্যক্তির পাশাপাশি দল হিসেবে জামায়াতের যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য আইনি কাঠামো তৈরির কাজ করছে সরকার।