চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯

বদির ভাই-ভাগিনাসহ ১৬০ ইয়াবা কারবারির আত্মসমর্পণ শনিবার

প্রকাশ: ২০১৯-০২-১৫ ২২:৪৮:০৩ || আপডেট: ২০১৯-০২-১৬ ১০:৫০:৩৫

কক্সবাজারের সাবেক সংসদ সদস্য, ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বহুল আলোচিত আবদুর রহমান বদির ভাই-ভাগিনাসহ ১৬০ জন ইয়াবা কারবারি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে প্রশাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে।

শবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় টেকনাফ উপজেলায় টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে তরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে আত্মসমর্পণ করবে।

পুলিশ জানায়, আত্মসমর্পণকারী ১৬০ জন ইয়াবা কারবারি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। কাল সকালে তাদের টেকনাফ নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে তারা প্রতিকী ইয়াবা ট্যাবলেট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করবে।

জানা যায়, ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণের বিষয়ে গত বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে টেকনাফের বিভিন্ন জায়গায় মাইকিং করা হয়। এরিই মধ্যেই মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। যেখানে ১০ হাজার লোকের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে।

পুলিশ হেফাজতে থাকা ইয়াবা কারবারিদের মধ্যে রয়েছে- সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির ভাই আবদুর শুক্কুর, শফিকুল ইসলাম শফিক, আমিনুর রহমান ওরফে আবদুল আমিন, ফয়সাল রহমান, বদির ভাগিনা সাহেদ রহমান নিপু, আরেক ভাগিনা টেকনাফ পৌর কাউন্সিলর নূরুল বশর ওরফে নূরশাদ, ইয়াবা ডন হাজি সাইফুল করিমের দুই শ্যালক জিয়াউর রহমান ও আবদুর রহমান।

আরও রয়েছে- টেকনাফের পশ্চিম লেদার নুরুল কবির, হ্নীলা সিকদারপাড়ার সৈয়দ আহম্মদ সৈয়দ, বন্দুকযুদ্ধে নিহত নাজিরপাড়ার শীর্ষ ইয়াবা কারবারি জিয়াউর রহমানের ভাই আবদুর রহমান, নাজিরপাড়ার সৈয়দ হোসেন, নাইটংপাড়ার ইউনুস, ডেইলপাড়ার জাফর আলম, জাহাজপুরার নুরুল আলম, হ্নীলার রশিদ আহম্মদ ওরফে রশিদ খুলু, সদরের ডেইল পাড়ার আব্দুল আমিন ও নুরুল আমিন, টেকনাফ সদরের উত্তর লম্বরি এলাকার করিম মাঝি, হ্নীলা ফুলের ডেইলের রুস্তম আলী, শামলাপুর জুমপাড়ার শফিউল্লাহ, একই এলাকার সৈয়দ আলম, রাজাছড়ার আব্দুল কুদ্দুছ, মধ্যম জালিয়াপাড়ার মোজাম্মেল হকসহ আরও অনেকে।