চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

চট্টগ্রামে আরও তিন লাখ গ্রাহক পাচ্ছেন বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার

প্রকাশ: ২০১৯-০২-১৩ ১১:০৮:২৬ || আপডেট: ২০১৯-০২-১৩ ১৪:৪৩:১৩

চট্টগ্রামে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আসছেন আরও তিন লাখ নতুন গ্রাহক। নগরসহ আশপাশের এলাকায় চলতি বছরের মধ্যেই গ্রাহকরা এ মিটার পাবেন। এতে যেমন কমে যাবে বিদ্যুতের অপচয়, তেমনি অতিরিক্ত টাকা দেয়ার বিড়ম্বনা থেকেও মিলবে মুক্তি।

পিডিবি সূত্র জানায়, পিডিবির অধীনে ‘প্রি-পেমেন্ট মিটারিং প্রজেক্ট ফর ডিস্ট্রিবিউশন সাউদার্ন জোন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০১৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রামে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ শুরু হয়। পরে ২০১৭ সালে এ প্রকল্পের অধীনে এক লাখ ৩৯ হাজার ও ২০১৮ সালে চার লাখ নতুন গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের সুবিধা দেওয়া হয়। এ হিসেবে ২০১৯ সালের মধ্যে প্রায় সাত লাখ গ্রাহক প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আসছেন।

পিডিবি চট্টগ্রাম দক্ষিণ অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন বলেন, চট্টগ্রামে ১২টি বিক্রয় ও বিতরণ কার্যালয় রয়েছে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত চার লাখের বেশি গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। হিসেব মতে, চট্টগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় প্রি-পেইড মিটার পাননি এ রকম গ্রাহক রয়েছে আরও তিন লাখ। তাদেরকেও ২০১৯ সালের মধ্যে এ ডিজিটাল মিটারের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, বিদ্যুতের অপচয়, গ্রাহক হয়রানি ও অনিয়ম দূর করতে মূলত এ ডিজিটাল মিটারিং। এদিকে গ্রীষ্মকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দূর করতে ষোলশহর উপকেন্দ্রে ২০ হাজার ২০৬ মেগাভোল্ট ট্রান্সফরমার চালু করা হয়েছে। রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ ট্রান্সফরমার বসানো হয়।

প্রতি বছর গ্রীষ্মকালে ষোলশহর এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ভোগান্তিতে ছিলেন গ্রাহকরা। এ ট্রান্সফরমার চালুর মাধ্যমে শহরের অন্যান্য এলাকায়ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে বলে জানান প্রবীর কুমার সেন।

বিএসআরএম, কেএসআরএম, আবুল খায়ের গ্রুপসহ চট্টগ্রামে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে ৯টি। যেগুলোতে ২৩০/১৩২ কেভি বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া অন্যান্য ৩২ কেভি মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানেও শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রবীর কুমার সেন।

তিনি বলেন, শুধু শীতকালে নয়, গ্রীষ্মকালেও এসব বড় ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে আমরা প্রস্তুত। মাঝে-মধ্যে যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়, তা কিন্তু বিদ্যুতের অভাবে নয়। উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মকা- চলার কারণে এ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়।