চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

মেধা ও মনন বিকাশে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতির বিকল্প নেই: প্রফেসর প্রদীপ চক্রবর্ত্তী

প্রকাশ: ২০১৯-০২-০৯ ২১:৩০:৫৮ || আপডেট: ২০১৯-০২-০৯ ২১:৩১:০৮

চিটাগাং আইডিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক বিশিষ্ট রসায়নবিদ প্রফেসর প্রদীপ চক্রবর্ত্তী বলেছেন, “শিক্ষা নিয়ে গর্ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে ধারণ করেই আজ শিক্ষা নিয়ে আমরা গর্ব করছি। যোগ্য, দেশাত্ববোধ, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠন, বিজ্ঞানমুখী শিক্ষানীতি চালু করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে বিশ্বের সাথে তালমিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার যা কিছু করা দরকার সবই করছে সরকার। তিনি বলেন, লেখা-পড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শিক্ষার্থীদের অবদান অনস্বীকার্য। মেধা ও মনন বিকাশে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতির বিকল্প নেই।

আজ ৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১০টায় চিটাগাং আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া, ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

চিটাগাং আইডিয়াল হাই স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ২১নং জামালখান ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাস সুমন, মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. গাজী গোলাম মাওলা, সহকারী পরিচালক মো: মোশাররফ হোসেন, চিটাগাং আইডিয়াল ট্রাষ্ট’র ম্যানেজিং ট্রাষ্টি ডা: এ কে এম ফজলুল হক, সাবেক অধ্যক্ষ ও একাডেমীর এডভাইজার আমেনা শাহীন। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও ট্রাষ্ট এর প্রধান নির্বাহী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউসুফ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক শাহীদা নাসরিন শিউলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মুহাম্মদ সৈয়দুল আলম ও আবু দাউদ মুহাম্মদ শাহ শরীফ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রফেসর প্রদীপ চক্রবর্তী বলেন, আইডিয়াল হাই স্কুল শিক্ষা, নৈতিকতা, আদর্শ নাগরিক তৈরি, অসাম্প্রদায়িত চেতনা সৃষ্টির পাশাপাশি কাঙ্খিত মানের ফলাফল করে চট্টগ্রামে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তিনি প্রতিষ্ঠানটি ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন, আমি আজ সরেজমিনে সব কিছু দেখে অভিভুত হলাম। একটি আদর্শ স্কুল হিসেবে যা কিছু প্রয়োজন সবই রয়েছে এখানে। প্রযুক্তি নির্ভর ক্লাস বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আরো গুরুত্বারোপ করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম বলেন, নানা প্রতিকুলতার ও বাধাবিপত্তিকে অতিক্রম করে আমরা সাধ্যের মধ্যে চেষ্ট করে যাচ্ছি আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা প্রদানের জন্য। আমাদের সীমাবদ্ধতার মাঝেও আমরা দেশের ও মুক্তিযোদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে উন্নয়নশীল দেশের উপযোক্ত নাগরিক তৈরির শিক্ষায় দিয়ে যাচ্ছি।

পরে অতিথিরা সংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগীতা এবং কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।