চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পানছড়িতে জেএসএস কর্মী হত্যা উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ১৫ জনকে আসামী করে মামলা

প্রকাশ: ২০১৯-০২-০৯ ২০:৪৮:০৮ || আপডেট: ২০১৯-০২-০৯ ২০:৪৮:১৫

দিদারুল আলম রাজু

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস এম.এন লারমা গ্রুপ) এর কর্মী রনি ত্রিপুরা হত্যাকান্ডের দু’দিন পর মামলা দায়ের করেছেন নিহতের মা ললিতা ত্রিপুরা। পানছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমাকে প্রধান আসামী করে ১৫ জনের নাম উল্ল্যেখ করে শনিবার সন্ধ্যায় মামলাটি রুজু করা হয়।

বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) দুলাল হোসেন।

এই মামলার অপর এক গুরুত্বপূর্ণ আসামী হলেন উপজেলার ১নং লোগাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রত্যুত্তর চাকমা।

সর্বোত্তম চাকমা ও প্রত্যুত্তর চাকমা দু’জনই পাহাড়ি আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস্ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ প্রসীত খীসা গ্রুপ) এর শীর্ষ স্থানীয় নেতা।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পানছড়ি বাজারের একটি আবাসিক হোটেলের সামনে রনি ত্রিপুরাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে পালিয়ে যায় মোটরসাইকেলে আসা দুই পাহাড়ি যুবক। পরে স্থানীয়রা রনি ত্রিপুরাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।

নিহত রনি ত্রিপুরা (৩৮) পানছড়ি উপজেলার মরাটিলা এলাকার বাসিন্দা মনিন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে এবং সে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস এম.এন লারমা গ্রুপ) এর সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গেলো ৮-ই জানুয়ারী সন্ধ্যায় পানছড়ি বাজারে সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজির মাহমুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে পালিয়ে যায় পাহাড়ি এক যুবক। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান তিনি। তবে দীর্ঘদিন তাকে চট্টগ্রাম সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।

ওই ঘটনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমা ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রত্যুত্তর চাকমাসহ ১০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছিলো।