চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

কর্ণফুলীতে উচ্ছেদ অভিযান: উদ্ধার জমিতে হবে বিনোদন কেন্দ্র

প্রকাশ: ২০১৯-০২-০৯ ২০:০৫:১৬ || আপডেট: ২০১৯-০২-০৯ ২৩:০৩:৪৭

কর্ণফুলী নদীতীরে উচ্ছেদ অভিযানে উদ্ধার বিশাল এলাকাজুড়ে পন্টুন জেটি ও দৃষ্টিনন্দন বিনোদন কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, ‘গত চার-পাঁচদিন ধরে এ উদ্ধার অভিযানের প্রথম পর্যায়ের কাজ হয়েছে। আজ এর শেষ দিন। আমার ডিসি-এসপি-ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ করেছেন। তাদের ধন্যবাদ জানাই। এভাবে কাজ চলতে থাকবে। সবাই যদি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে তাহলে কী হয় আমরা তা দেখতে পাচ্ছি।’

শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের বাংলাবাজার এলাকায় কর্ণফুলী নদীতীরে প্রথম পর্যায়ের উচ্ছেদ অভিযানের শেষ দিনে পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘কর্ণফুলী বাঁচলে চট্টগ্রাম বাঁচবে। আগে এই জায়গাগুলো বেদখল ছিল। এখন আমরা দখলে নিয়েছি। প্রথম কাজ হলো বেদখল হয়ে যাওয়া জমিগুলো উদ্ধার করা। এরপর একটু সময় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। এখানে দৃষ্টিনন্দন কিছু কাজ করা হবে। মানুষের বিনোদনের জন্য কিছু করা হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে উদ্ধার হওয়া জায়গা যেন আবার বেদখল হয়ে না যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবাই কর্ণফুলী দেখতে চায় কিন্তু ময়লা-আবর্জনায় পূর্ণ নদী নয় পরিষ্কারভাবে মানুষ নদী দেখতে পাবেন। সবার জন্য এ ব্যবস্থা করা হবে।’

সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, ‘নদীতীরে বিনোদন কেন্দ্র হলেও তীর নিয়ে আমাদের ভিন্ন পরিকল্পনা আছে। এখানে পন্টুন-জেটি টাইপের কিছু করার কথা ভাবা হচ্ছে। কারণ বন্দরের ধীরগতির লোড-আন লোডিংয়ে আমাদের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয়। যার পরিমাণ কয়েক মিলিয়ন। জাহাজগুলোকে দিনের পর দিন অপেক্ষায় থাকতে হয়। প্রচুর রিজার্ভ নষ্ট হয়। তবে পন্টুনগুলো আমরা করব না। পোর্ট বা বিআইডব্লিউটিএকে দেয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, গত সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নগরীর সদরঘাট থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। আজ শনিবার বারিক বিল্ডিং এলাকায় গিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শেষ হয়। এ অভিযানে ২৩০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর মধ্যে পাঁচটি খালও উদ্ধার করা হয়েছে। ছয় দিনের উচ্ছেদ অভিযানে বেদখলে থাকা প্রায় ১০ একর ভূমি উদ্ধার করা হয়।