চট্টগ্রাম, ১২ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯

‘নান্দনিক ও স্বপ্নের উপ-শহর রূপে গড়ে তুলব সাতকানিয়াকে’, একান্ত সাক্ষাৎকারে মসরুর জুনাইদ

প্রকাশ: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১০:০৭ : পূর্বাহ্ণ

একান্ত সাক্ষাৎকারে নান্দনিক সাতকানিয়া আন্দোলনের স্বপ্নদ্রষ্টা মসরুর জুনাইদ

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নান্দনিক সাতকানিয়া আন্দোলন থেকে প্রার্থী হবেন সিটিজি টাইমসের সম্পাদক মসরুর জুনাইদ।

রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না থাকলেও সামাজিক আন্দোলনে থেকে কাজ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য।

চট্টগ্রামের প্রখ্যাত এ তরুণ সাংবাদিকের জীবনে ধরা দেয় নানা অর্জন। এরমধ্যে নান্দনিক সাতকানিয়া আন্দোলনের স্বপ্নদ্রষ্টা, সিটিজি টাইমস’র সম্পাদক, ব্লাডব্যাংক সহ অসংখ্য সামাজিক,সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া সংগঠন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। তরুন এই সংগঠক অল্প সময়ে তার শ্রম, বুদ্ধি, কৌশল ও সংগঠনের প্রতি আনুগত্য থেকে প্রাদপ্রদীপের আলোয় চলে এসেছেন।

গতকাল বিকালে তিনি এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সাতকানিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উপজেলাকে নান্দনিক করাকে কার্যপরিকল্পনার প্রথম হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে একটি ‘স্বপ্নের উপ-শহর’ হিসেবে তৈরি করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

তরুন এই সম্পাদক সিটিজি টাইমস এর প্রতিবেদক আখতার হোসাইনের সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাতকালে তিনি সাতকানিয়া উপজেলাকে নান্দনিক ও উপশহরে পরিণত করার আরো কিছু পরিলকল্পনা তুলে ধরেন যা হুবহু পাঠকের সামনে তুলে ধরা হল।

সিটিজি টাইমস: সাতকানিয়ার মতো একটি ঐতিহ্য মন্ডিত এলাকায় কেন নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিলেন?
মসরুর জুনাইদ: শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ভাবে সারাদেশ জুড়ে রয়েছে সাতকানিয়া উপজেলার খ্যাতি। বিশ্বের বেশীর ভাগ দেশে ব্যবসা অঙ্গনকে বাতিয়ে রাখা এই সাতকানিয়া উপজেলার মানুষ সব দিকদিয়ে এগিয়ে গেলেও সময় উপযোগী উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি অনেক এলাকায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের আগে ও পরে রাজনৈতিকভাবে অবহেলিত হয়ে উন্নয়নের মাত্রা ছিল দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের চেয়ে কম।

বাংলাদেশের সুচনা লগ্ন থেকে রাজনৈতিকভাবে অবহেলিত হয়ে প্রায় ঝিমিয়ে পড়েছে সাতকানিয়ার উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সামাজিক উন্নতি। হাজারো ঐতিহ্য নিয়ে গঠিত সাতকানিয়া উপজেলাকে একটি নান্দনিক উপজেলা হিসেবে গড়তে বাস্তবমূখী পরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পনাবিদ, সুধী সমাজ এবং সর্বস্তরের জনগনকে সাথে নিয়ে একটি নান্দনিক উপ শহরে রূপ দেয়ার চিন্তা থেকেই নির্বাচনে অংশ নেয়া।

সিটিজি টাইমস: জন্ম ও পারিবারিক জীবন সম্পর্কে কিছু বলবেন?
মসরুর জুনাইদ:: সাতকানিয়া উপজেলার পূর্ব গাটিয়া ডেঙ্গা গ্রামে ১৯৮৭ সালে এক অভিজাত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করি। বাবা মাওলানা আব্দুল মোমেন একজন সুনামধন্য আলেম । মা জোবেদা খানম আরিফা গৃহীনি । মধ্যবিত্ত পরিবার হলেও এলাকায় আমাদের পরিবারের একটি ঐতিহ্য ছিল। ফলে কোন জায়গায় পরিচয় দেয়ার আগেই সকলেই চিনে নিত।

আমার নানা ঐতিহ্যবাহী সাতকানিয়া আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ ও সাতকানিয়া আদালত মসজিদের খতিব মরহুম আল্লামা আহমদ কবির খান আরিফও দক্ষিণ চট্টগ্রামের আপামর জনগণের সুপরিচিতি একজন ব্যক্তি।

সিটিজি টাইমস : শিক্ষাজীবন সম্পর্কে কিছু জানান?
মসরুর জুনাইদ: গ্রামেই প্রাইমারী ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে উচ্চ শ্ক্ষিালাভের জন্য চট্টগ্রাম শহরে আসি। ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করি। ছাত্রজীবন থেকে সামাজিক বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িয়ে পড়ি।

সেই সুবাদে ছাত্র জীবন থেকেই সামাজিত বিভিন্ন আন্দোলন ও সাতকানিয়ার প্রত্যন্ত এলাকায় ঘুরে দেখার সুযোগ হয়। সেই থেকে মূলত সাতকানিয়ার উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে যাচ্ছি।

সিটিজি টাইমস : সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে আপনি সাতকানিয়ার উন্নয়নে পর্যাপ্ত ভুমিকা রাখতে পারবেন কি?
মসরুর জুনাইদ: কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও সামাজিক ও সংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক পদচারণা থাকার সুবাদে এলাকার অধিকাংশ গ্রামে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। এলাকার মানুষের সাথে সুখ ও দু:খের শামিল হয়েছি।

তরুন প্রজন্মের সাথে নিজেকে একাকার করে দিয়ে তাদের সাথে নিয়ে কাজ করলে যে কোন ধরনের উন্নয়ন করা সম্ভব। অতীতে অনেক কাজ আমি ও আমার সংগঠনের মাধ্যমে করেছি। আশা করি ভবিষ্যতেও নতুন প্রজন্মকে সাথে নিয়ে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সকল সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

সিটিজি টাইমস : রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত না থেকে কিভাবে উন্নয়ন করবেন?
মসরুর জুনাইদ : রাজনীতিতে যুক্ত না থাকলেও সামাজিক আন্দোলনগুলোর মাধ্যমে দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত জনপদ গঠনে কাজ করা যায়। সততা, নিষ্টা ও আন্তরিকতা সর্ব্বোপরি এলাকার প্রতি ভালবাসা থাকলে যে কোন কাজ সহজে করা সম্ভব।

রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান না হলেও আমাদের আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বন্ধবসহ এলাকায় যে বা যারা বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত এবং সকল দলের লোকদেরকে সু সংগঠিত করে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন কাজ করলে পাঁচ বছরের ব্যবধানে সাতকানিয়াকে মডেল উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবো।

এছাড়াও তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে সব বিষয়ে অভিজ্ঞ লোক জনপ্রতিনিধি থাকলে পর্যাপ্ত সরকারী বরাদ্ধও পাওয়া যাবে।

সিটিজি টাইমস: সাংবাদিকতা কখন থেকে শুরু করলেন ?
মসরুর জুনাইদ: ২০০১ সালে ‘মাসিক সংস্কার’ কিশোর পত্রিকায় কিশোর রিপোর্টার হিসাবে সাংবাদিকতা শুরু। এরপর সাতকানিয়া প্রতিনিধি হিসাবে দৈনিক জাগরণ ও বার্তাসংস্থা এমএনএতে কাজ করি বেশ কিছু দিন।

এরপর জীবিকার তাগিদে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রিকায়। কিন্তু শুরু থেকে ধাক্কা খেতে থাকি পত্রিকার সম্পাদকীয় নীতি ও নৈতিকতারু। যার সাথে তাল মিলাতে না পারায় প্রায় মালিক পক্ষের অমানবিক, অসৌজন্যমূলক আচরণের মুখোমুখি হয়। পরে সিটিজি টাইমস অনলাইন পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব নিই।

সিটিজি টাইমস : সাংবাদিকতায় আপনার অবদান কি?
মসরুর জুনাইদ : একজন প্রযুক্তিবিদ ও সাংবাদকর্মী হিসেবে কর্মজীবনের সুচনা। ২০১২ সালের শুরুতে অনলাইন নিউজ পোর্টাল হিসেবে সিটিজি টাইমস ডটকমের যাত্রা শুরু করি। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ডিজিটালের ছোঁয়া লাগে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টার সজিব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরে মূলত দেশে এ স্বপ্ন যেন স্বপ্নের মতই দুয়ার খুলতে শুরু করে।

সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বললেও তখন এত সংখ্যক মানুষের মতো কেউ সেটা কি জিনিস বুঝতোই না। দেশে অনলাইন নিউজ পোর্টালের ডানা মেলা শুরুর দিকে সিটিজি টাইমস ডটকমের যাত্রা অত্যন্ত সুন্দর ও সুচারুরুপে সম্পাদনা করে পুরো দেশে প্রশংসা লাভ করি।

সিটিজি টাইমস: অনলাইন সংবাদ পত্রের প্রয়োজন কেন?
মসরুর জুনাইদ: দেশে গুটি কয়েক মানুষ যখন এ ডিজিটাল বাংলাদেশের জানালায় উঁকি মারছিল তখন আমিও এসে দাড়িয়েছিলাম এই সারিতে। ২০০১ সালে হট মেইলের মাধ্যমে অনলাইন জগতে হাতেখড়ি আমার। সেখান থেকে আজ আমি একজন ডিজিটাল কর্মী এবং জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল সিটিজি টাইমস ডটকমের সম্পাদক ও প্রকাশক।

আধুনিক বিশ্বের এ সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যাতিরেখে কোন উন্নয়ন-অগ্রগতি, আন্দোলন সংগ্রামের সুচনা হবে না। দেশকে আর্ন্তজাতিক পরিমন্ডলে তুলে ধরার জন্য তথ্যবহুল অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রয়োজনীতা অনেক বেশী। সেই কাজটি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছি।

সিটিজি টাইমস : নান্দনিক সাতকানিয়া আন্দোলন কেন গঠন করেছেন?
মসরুর জুনাইদ: পাহাড়, নদী, ঝর্ণা, খাল, বিল ইত্যাদি নিয়ে সাতকানিয়ার অবস্থান অনেক সুন্দর। এই সৌন্দর্য্যকে ধারণ করতে স্বাধীনতার পর থেকে কেউ এগিয়ে আসেনি। বৈচিত্রময় সাতকানিয়াকে যদি তুলে ধরা যায় এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে একিভূত করতে পারলে সাতকানিয়ার নান্দনিকতা বিশ্ববাসীকে মুহিত করতে সক্ষম হবে বলে আমার বিশ্বাস।

স্বপ্নের সেই নান্দনিক সাতকানিয়া গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই আন্দোলনে নিজেকে সম্পৃক্ত করি। অনেক গুলো স্ট্রাকচার আমরা তৈরী করেছি। সামনে জনপ্রতিনিধি হয়ে কাজ করতে পারলে সেই নান্দনিক সাতকানিয়ার রূপ জনগণ দেখবে ইনশাল্লাহ। সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে আমার এ আন্দোলন। আমি এগিয়ে যেতে চাই সবাইকে নিয়ে নান্দনিক একটি সাতকানিয়া উপ-শহর গড়তে।

সিটিজি টাইমস : সাতকানিয়াকে কি ধরনের উপশহরে পরিণত করবেন?
মসরুর জুনাইদ: সাতকানিয়া উপজেলার সাঙ্গু নদীর দু’পাশে আধুনিক সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে এই নদীকে তার স্বকীয়তা ফিরিয়ে দিলে নদী ভাঙ্গন রোধও হবে সাথে, নান্দনিকতায় শোভা পাবে এই নদী।
ডলুখালের দুপাশের প্রাকৃতিক প্যারাবন ও সৌন্দর্য্যকে দৃষ্টি নন্দন করা হবে।

অবহেলিত খাল ও পাহাড়ী সম্পদ গুলোকে যথাযথ ব্যবহার করতে পারলে পুরো সাতকানিয়া উপজেলা দেশের একটি মডেল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করবে। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে এই কাজ গুলো অতি সহজে করা সম্ভব হবে বলে আমি আশাবাদি।

সিটিজি টাইমস: উপজেলার অবকাঠামো তৈরীতে আপনার পরিকল্পনা কি?
মসরুর জুনাইদ: নান্দনিক উপজেলা বাস্তবায়নে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপদ ব্যবসা বান্ধব এলাকা হিসাবে গড়ে তুলা হবে। নাগরিক মতামতের ভিত্তিতে স্থানীয় পর্যায়ের সকল সমস্যা সমাধানের জন্য এলাকায় ২৪ ঘণ্টার ‘সেবা সেল’ চালু করা, নারী, শিশু ও বয়স্কদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা কেন্দ্রের আওতায় একটি ফোন কলেই স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার ব্যবস্থা করা, সাতকানিয়া উপজেলার পার্ক ও খেলার মাঠ ব্যবহার উপযোগী করে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা। আধুনিক স্টেডিয়াম, শিশু পার্ক স্থাপন ও আধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মাণ করার চিন্তা রয়েছে।

সিটিজি টাইমস: সার্বিক উন্নয়নের আর কি পরিকল্পনা আপনার রয়েছে?
মসরুর জুনাইদ : সাতকানিয়া উপজেলায় একটি হাইটেক পার্ক ও আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে যেখানে পর্যায়ক্রমে প্রায় ২০ হাজার দক্ষ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে।

কৃষককে বৈদ্যুতিক সেচ সংযোগের আওতায় আনা, কৃষি ভিত্তিক শিল্প স্থাপন ও উপজেলা হাসপাতালকে বর্ধিত বেড়ে উন্নীত করা, টেলিমেডিসিন সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেওয়া, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনসহ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপন করা, শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধি প্রকল্পে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি গণিত ক্যাম্প, বিজ্ঞান ও ইংরেজি ক্যাম্পের ব্যবস্থা করার পাশা-পাশি আইটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী-শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক টয়লেট স্থাপন, ইভটিজিং, যৌতুকসহ নারী নির্যাতন ও বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধের মাধ্যমে নারীবান্ধব সাতকানিয়া উপজেলা গড়ে তোলা, ডলু নদী দ্রত সংস্কার করে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে এনে আধুনিক নৌ-যানের (ওয়াটার বাস সার্ভিস) ব্যবস্থা গড়ে তুলার পাশাপাশি নদীর দু’পাশ মনোরম পরিবেশে সাজানো, দল, মত, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে ক্ষুদ্র-বৃহৎ সকল জাতি গোষ্ঠির সংবিধান প্রদত্ত সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মকর্মের অধিকার এবং জীবন, সম্ভ্রম ও সম্পদের পূর্ণ নিরাপত্তা বিধান করা, ইতিহাস-ঐতিহ্য আর গৌরবে পরিপূর্ণ’ সাতকানিয়ার ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ সাতকানিয়ার জন্য কাজ করা।”

পরিশেষে তিনি নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করে সাতকানিয়ার জনগণকে আগাম বার্তা হিসেবে জানান, দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে বলবো, আপনাদের প্রিয় সাতকানিয়াকে সুন্দর করে সাজাবো। দুর্গন্ধমুক্ত, পরিবেশ বান্ধব ও আধুনিক উপ-শহর উপহার দেব।