চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল আইএসআই

প্রকাশ: ২০১৯-০১-২৯ ২২:৪৩:০৬ || আপডেট: ২০১৯-০১-৩০ ১৩:২১:১০

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবারের সদস্য এবং আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করেছিল পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। তবে ওই পরিকল্পনা বানচাল করে দেয়া হয়।

ঢাকা থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘ইকোনোমিক টাইমস’ এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সরকার তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগীদের নিয়ে ওই হত্যা পরিকল্পনা বানচাল করে দেয়। পরিকল্পনাটি করেছিল পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই।’

হত্যাকা- পরিচালনার জন্য তারা বিপুল অস্ত্রও সরবরাহ করে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে। জাতীয় নির্বাচনের আগেই এই হামলার পরিকল্পনা ছিল বলে ভারতীয় গণমাধ্যমটির দাবি।

দীপাঞ্জন রায়চৌধুরীর করার প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, সাবেক আইএসআই প্রধান নাভিদ মুক্তার এই ষড়যন্ত্রে অনেক বড় ভূমিকা রাখছিলেন। বাংলাদেশ নৌ বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের বেশ কয়েকজন আইএসআই এজেন্ট এই পরিকল্পনার যুক্ত ছিল। তবে জামায়াতে ইসলামি এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল কিনা তা জানা যায়নি।

গত ৩০ ডিসেম্বরের আগে গ্রিসের পতাকাবাহী একটি জাহাজ করে একে-৪৭, বন্দুক, গ্রেনেড ইত্যাদি অস্ত্র পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল আইএসআইয়ের। ২০০৪ সালে বিএনপি ক্ষমতা থাকাকালে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলার কথা উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনটিতে।

অন্য আরেকটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে হত্যা করে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। জাহাজ থেকে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্য বোমা হামলার ষড়যন্ত্রও হয়েছিল।

বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমান ও ঢাকাস্থ পাকিস্তানের হাইকমিশন এই ষড়যন্ত্রে সহযোগিতা করছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতা এই বিষয়ে জানতেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইকোনোমিক টাইমস এর আগেও এক প্রতিবেদনে বলেছিল, পাকিস্তানপন্থী বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায় আনার জন্য দুবাইভিত্তিক এজেন্টের মাধ্যমে অর্থ ও প্রার্থী বাছাই করে দিতে চেয়েছিল।