চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পতেঙ্গা আউটার রিং রোড সংযোগ ওয়াসা গলি সড়কের নির্মাণ কাজে বাঁধা

প্রকাশ: ২০১৯-০১-২৭ ২০:৫৮:৫৭ || আপডেট: ২০১৯-০১-২৮ ১৭:৪১:১৪

আখতার হোসাইন

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানার স্টীল মিল বাজার মহাজনঘাটা-সিবিচ রিং রোডে অবস্থিত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের জমি বাবদ কোন প্রকার ক্ষতিপুরণ না দিয়ে সড়কের কাজ নির্মাণ করার সময় কাজে বাঁধা দিয়েছে ক্ষতিগ্রস্থরা। এ এ সময় সিডিএ কর্তৃপক্ষের লোকজনের সাথে বাক বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে কাজের জন্য নিয়োজিত শ্রমিকরা তাদের বাধার মুখে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়।

জানা যায়, পতেঙ্গা আউটার রিং রোডের কাজ প্রায় শেষে পথে এই আউটার রিং রোডের সাথে যুক্ত করে স্টীল মিলা বাজার র‌্যাব-০৭ সামনের সড়কটি মহাজন ঘাটা-রিং রোড সংযোগ সড়কটি নির্মাণের কাজ শুরু করে সিডিএ কর্তৃপক্ষ। এলটমেন্ট পাওয়া এবং পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিনের মালিকদের নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ প্রদান করলেও এখনো কাউকে কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়নি বলে দাবী করেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো। সাবেক ওয়াসা গলি রোড নামে পরিচিত এই সড়কের পাশে প্রায় ১০৮টি পরিবার তাদের নিজস্ব ও এলটমেন্ট পাওয়া জমিতে বসবাস করে আসছে।

সরেজমিনে গিয়ে আজ দুপুর ১২টায় দেখা যায় সিডিএ’র শ্রমিকরা তাদের সারঞ্জামাদী নিয়ে কাজ শুরু করলে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে তাদের কাজে বাঁধা দেয়। এ সময় স্থানীয় নারী-পুরুষসহ প্রায় দু’শতাধিক লোক উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভও করে। তাদের বাঁধার মুখে কাজ না করে সিডিএ’র লোক জন চলে যায়।
ক্ষতিগ্রস্থ মো: হাছি মিয়া জানান আমার পৈত্রিক সম্পত্তি গুলো আমরা সরকারী কাজের জন্য দেব তবে আমাদের পূন:বাসন কিংবা ক্ষতিপূরণ তো দিতে হবে। আমাদের ক্ষতিপূরণ না দিয়ে এখানো কোন কাজ আমরা করতে দেবো না।

ক্ষতিগ্রস্থ পয়জুর রহমান, হাজী আবুল কাশেম জানান, আমাদেরকে জোর করে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে সিডিএ। তারা আমাদেরকে একবার বলে জেলা প্রশাসকের কাছে যেতে আবার বলে তারা ক্ষতিপূরণ দিবে। এভাবে করে টালবাহানা করছে।

ক্ষতিগ্রস্থ হুমায়ুন কবীর,আয়ুব, জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের আয়ের একমাত্র অবলম্বন হচ্ছে ভাড়া ঘর। এই সম্পত্তি গুলো হারালে আমাদেরকে পথে বসতে হবে। আমাদেরকে ক্ষতিপুরণ ও পূন:বাসন না করে জোর পূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করছে সিডিএ।

ওয়াসা গলি সড়কের আশপাশে বসবাসকারী জেলে এবং অসহায় দু:স্থ মানুষ গুলো তাদের টাইগুজার স্থানটাও নিয়ে যাচ্ছে সরকার এইভাবে বিলাপ করে কান্না করতেও দেখা যায় বাসিন্দাদের। এ ব্যাপারে জানতে সিডিএর প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ফোন করলেও তিনি ফোন সিরিভ করেন নি।