চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

গনহত্যা দিবস উপলক্ষে স্মৃতি স্তম্ভে চকবাজার থানা আওয়ামীলীগ পুস্পস্তবক অর্পন

প্রকাশ: ২০১৯-০১-২৫ ০৭:১৮:০৮ || আপডেট: ২০১৯-০১-২৫ ০৭:২৯:২৮

১৯৮৮ সনে ২৪ জানুয়ারি গণ-হত্যায় শহীদদের প্রতি আদালত ভবন চত্বরে স্মৃতি স্তম্ভে চকবাজার থানা আওয়ামীলীগের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতা-কর্মীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সিটি মেয়র আলহাজ্জ্ব আ জ ম নাসির উদ্দিন, চকবাজার থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্জ্ব সাহাবউদ্দিন আহম্মদ, সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক, সহ-সভাপতি আলহাজ্জ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ,অমর কান্তি দত্ত,বনও পরিবেশ সম্পাদক দীন মোহাম্মদ দীনু,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম আনিসুজ্জামান আনিস,বিঙ্গান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রতন ভট্টাচার্য, কার্যকরী কমিটির সদস্য এড শাহেদুল আজম শাকিল, নাজমুল হক বাচ্চু, আলী নেওয়াজ খান পারভেজ, মোঃ নাসির প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি লালদীঘি ময়দানে শেখ হাসিনার সমাবেশ বানচাল করতে গুলি চালায় পুলিশ। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গুলিতে প্রাণ হারান ২৪ জন। সেদিনের গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মরণে নগরীর কোর্ট বিল্ডিংয়ের পাদদেশে নির্মাণ করা হয় স্মৃতিফলক।

তবে ঘটনার ৩১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শেষ হয়নি এ মামলার বিচারকাজ। নানা কারণে দীর্ঘায়িত হচ্ছে সাক্ষ্যগ্রহণ। জানা যায়, বহুল আলোচিত এই মামলার মোট আসামী ৮ জন। এরমধ্যে পলাতক ১জন। এছাড়া জামিনে রয়েছে ৪ জন, আর মারা গেছে ২জন। তবে প্রধান আসামী তৎকালীন পুলিশ কমিশনার মির্জা রকিবুল হুদা যুক্তরাষ্ট্রে মারা গেছে বলে জানানো হলেও তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি আদালত।

দীর্ঘ তিনদশকেও এঘটনার বিচার না হওয়ায় হতাশ মামলার সাক্ষীরা। অতচ কয়েকমাস আগে মামলাটি দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। ইতোমধ্যে মামলার মোট ১৬৮ সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ৪৬ জন। তবে কবে নাগাদ শেষ হবে, তা বলতে পারছেনা চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান নগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, আইনজীবী ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।