চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার লড়াইয়ে জিতবে কে

প্রকাশ: ২০১৯-০১-২৪ ২০:১১:৩৮ || আপডেট: ২০১৯-০১-২৪ ২১:৪৮:৩৪

বিরোধী নেতা ও সংসদের স্পিকার হুয়ান গুয়াইদো নিজেকে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন বিরোধী নেতা ও সংসদের স্পিকার হুয়ান গুয়াইদো নিজেকে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেনকারাকাস: ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা নিজেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন৷ অ্যামেরিকাসহ একাধিক দেশ তার প্রতি সমর্থন জানালেও প্রেসিডেন্ট মাদুরো ক্ষমতা ছাড়তে নারাজ৷

প্রথমে উগো চাবেস, তারপর নিকোলাস মাদুরো – দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় পরপর শাসন করে গেছেন দুই কট্টর বামপন্থি নেতা৷ চাবেসের মৃত্যুর পর ২০১৩ সাল থেকে সমাজতান্ত্রিক কাঠামোর আওতায় দেশ শাসন করছেন মাদুরো৷ সদ্য সমাপ্ত বিতর্কিত নির্বাচনে জয়লাভ করে ১০ই জানুয়ারি তিনি আবার ক্ষমতায় এসেছেন৷ সেই নির্বাচনে বিরোধীদের কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছিল৷ তখন থেকেই প্রতিবাদ, বিক্ষোভ চলে আসছে৷ বুধবারও হাজার হাজার মানুষ রাজধানী কারাকাসে বিক্ষোভ দেখিয়েছে৷ পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষও হয়েছে৷

এবার তরুণ বিরোধী নেতা ও সংসদের স্পিকার হুয়ান গুয়াইদো নিজেকে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলেন৷ এক জনসভায় তিনি মাদুরোর বিরুদ্ধে ক্ষমতা দখলের অভিযোগ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনেরও ঘোষণা করেন৷ পেট্রোলিয়াম সমৃদ্ধ দেশ হওয়া সত্ত্বেও ভেনেজুয়েলার চরম আর্থিক দুর্দশা ও অস্বাভাবিক মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান৷ উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট পদ খালি হলে ৩০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে৷ সে সময়কালে কংগ্রেস বা সংসদের প্রধান অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করবেন৷

গুয়াইদো নিজেকে দেশের শীর্ষ নেতা ঘোষণার পরপরই তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তিনি ভেনেজুয়েলা থেকে পেট্রোলিয়াম আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞাও চাপাতে পারেন৷ তারপর একে একে ক্যানাডা, দক্ষিণ অ্যামেরিকার অনেক দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে৷ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর উদ্দেশ্যে মার্কিন নাগরিকসহ সে দেশের সব নাগরিকের কল্যাণের লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন৷ তিনি আরো বলেন, সে দেশে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে আমেরিকা যথাযথ পদক্ষেপ নেবে৷