চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আর্ন্তজাতিক বাজারেও চট্টগ্রামের ফার্নিচার খ্যাতি লাভ করেছে: আ জ ম নাছির উদ্দিন

প্রকাশ: ২০১৯-০১-২৩ ০৯:৫৩:২৩ || আপডেট: ২০১৯-০১-২৩ ০৯:৫৩:৩২

আখতার হোসাইন

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, চট্টগ্রামের ফার্নিচার দেশের গন্ডি পেরিয়ে আর্ন্তজাতিক বাজারেও সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বিভিন্ন দেশেও আমাদের শহরে তৈরী ফার্নিচার দেখে গর্ববোধ করি। মান সম্পন্ন ফার্নিচারের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরার জন্য তিনি ফার্নিচার শিল্পের সাথে জড়িত সকলকে অভিনন্দন জানান। তিনি এই শিল্পের গুণগত মান বৃদ্ধির মাধ্যমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) সকালে জিইসি কনভেনশন হলে বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি সপ্তাহব্যাপী ফার্নিচার মেলার আয়োজন করে। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন উপোক্ত কথাগুলো বলেন।

মেয়র আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবন জীবিকা এখন বদলে গেছে। মানুষ এখন ঘরে বসেই নানা নাগরিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। এই সুযোগ সুবিধা শহরের পাশাপাশি গ্রামেও আস্তে আস্তে পৌঁছে যাচ্ছে। এতে করে মানুষের ব্যক্তি রুচির পরিবর্তন হচ্ছে। ক্রেতা সাধারণের রুচি, মন মানসিকতাকে সামনে রেখে এদেশের উৎপাদনখাত সমূহ দিন দিন নিত্যনতুন পণ্য সামগ্রী বাজারজাতকরণে মনোযোগী হচ্ছে। উৎপাদন শিল্পের এই প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই ফার্নিচার শিল্প।
মেয়র বলেন, লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ক্রেতা চাহিদা অনুযায়ী ফার্নিচার শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পণ্য তৈরি করছে। নিত্যনতুন ডিজাইন, স্থান সাশ্রয়ী ফার্নিচার তৈরি করছে। বাংলাদেশের তৈরি ফার্নিচার এখন বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। তবে ডিজাইনের পাশাপাশি পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণেও শিল্প মালিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। বাজার ধরে রাখা এবং উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি অর্জন করতে হলে টেকসই পণ্য উৎপাদন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি এ এস এম নুরুদ্দিনের সভাপতিত্বে মেলায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম, বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান, মহাসচিব মো ইলিয়াস সরকার, সংগঠনের চট্টগ্রাম শাখার সহসভাপতি এম এন আযম, সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম সভাপতি মো. সাহাবুদ্দীন প্রমুখ.