চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আটক ৫

প্রকাশ: ২০১৯-০১-২২ ১৯:১৩:১১ || আপডেট: ২০১৯-০১-২২ ১৯:১৩:১৯

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুইজন আহত হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- সিএফসি গ্রুপের কর্মী মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শাকিল, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের সাজন, আরবী বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শাকিল, প্রানিবিদ্যা বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের আসির উদ্দীন।

একই ঘটনায় আহতরা হলেন- ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষর্থী মেহেদী হাসান ও পালি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্লাটুন চাকমা।

পূর্ব ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

বিবাদমান গ্রুপ দুইটি হলো প্রয়াত নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দীন চৌধুরীর অনুসারী সিএফসি গ্রুপ ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী সিক্সটি নাইন গ্রুপ।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার বিকেল ৪টার শাটল ট্রেনে সিএফসি গ্রুপের এক কর্মীকে মারধর করে সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মীরা।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটর দিকে সিক্সটি নাইনের মেহেদী হাসান নামে এক কর্মীকে মারধর করে। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে উভয় গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরস্পর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপে লিপ্ত হয়।

এ সময় আব্দুর রব হল থেকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সিএফসির ৫০-৬০ জন ছাত্রলীগ কর্মী সোহরাওয়ার্দী হলের দিকে এগিয়ে আসলে পুলিশ তাদের লাটিচার্জ করে সরিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ ৫ ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে এবং ব্যাপক লাটিচার্জ করে।

বর্তমানে সিক্সটি নাইনের কর্মীরা শাহজালাল হল ও সিএফসির কর্মীরা শাহ আমানত হলে অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মী ও সাবেক সহ-সভাপতি মনসুর আলম বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার জন্য আমাদের এক কর্মীকে মারধর করা হয়। আমরা তা প্রতিহত করি।

এ বিষয়ে সিএফসি গ্রুপের কর্মী ও সাবেক উপ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সায়ন দাশ গুপ্ত অমিত বলেন, জুনিয়রদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝির জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে আমাদের এক কর্মীকে ব্যঙ্গ করে কথাবার্তা বলে। পরবর্তীতে তাদের সাথে একটু ঝামেলা হয়। আমরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছি।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মশিউদ্দৌলা রেজা বলেন, ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করা হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। দেশীয় অস্ত্রসহ যাকে পাওয়া যাবে, সে যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।