চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

উপজেলার মনোনয়নে আ’লীগের ৪ চার নির্দেশনা

প্রকাশ: ২০১৯-০১-২২ ১৮:১৬:৫৩ || আপডেট: ২০১৯-০১-২২ ১৮:১৬:৫৯

ফেব্রুয়ারি মাসের ১ম সপ্তাহে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে। তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূলকে চার নির্দেশনা বা ফরমান দিয়েছে দলটি।

গত কয়েক দিনে এ সংক্রান্ত চিঠি জেলা ও উপজেলায় পৌঁছানো হয়েছে বলে দলের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় দলীয় প্রার্থী তালিকা প্রেরণের জন্য জেলা-উপজেলা সভাপতি-সম্পাদককে অনুরোধ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, (১) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের পরামর্শ গ্রহণপূর্বক জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের (৪জন) স্বাক্ষরে প্রত্যেকটি পদের জন্য ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে একক প্রার্থী অথবা অনধিক ৩ জনের একটি প্রার্থী তালিকা স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডে প্রেরণ করতে হবে।

(২) মনোনীত প্রার্থীদের নাম, ভোটার নং (১২ ডিজিট), এবং নির্বাচনী আইন, নীতিমালা ও বিধিমালা অনুযায়ী সকল তথ্য প্রার্থীদের নামের সাথে প্রেরণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, প্রার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অবশ্যই প্রেরণ করতে হবে-যা বাধ্যতামূলক।

(৩) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থীর নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।

(৪) জেলা ও উপজেলা থেকে যে প্রার্থী তালিকা কেন্দ্রে প্রেরণ করা হবে, তাদেরকে অবশ্যবই দলীয় ফরম ক্রয় করতে হবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা মনোনয়ন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে কার্যালয় সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের সব জেলা, উপজেলা, মহানগর, থানা ও পৌর কমিটির কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন।

ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী যেসব জেলা, মহানগর, উপজেলা পর্যায়ে আওয়ামী লীগের নিজস্ব জমি রয়েছে, কিন্তু কার্যালয় নেই- সেসব স্থানে দলীয় খরচে কার্যালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

যেসব এলাকায় দলের নিজস্ব জমি নেই, তাদেরকে জমি কিনতেও বলা হয়েছে চিঠিতে।

জেলা, উপজেলা, মহানগর, থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের কার্যালয় আছে কি না, থাকলে জমির মালিকানাসহ ঠিকানা ও ফোন নম্বর, অস্থায়ী কার্যালয় থাকলে সেই ঠিকানা ও ফোন নম্বর, অস্থায়ী কার্যালয় ভাড়া করা হলে তার বিবরণ, কার্যালয় না থাকলে তার বিবরণ এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী কার্যালয়ে কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ, ফ্যাক্স ও টেলিফোন সম্পর্কিত তথ্যও চাওয়া হয়েছে চিঠিতে।