চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পার্লামেন্টে থেরেসার ব্রেক্সিট চুক্তি নাকচ

প্রকাশ: ২০১৯-০১-১৬ ১১:১৮:৪৩ || আপডেট: ২০১৯-০১-১৬ ১৫:৫১:৫৭

ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে ভোটাভুটিতে বিশাল ব্যবধানে হেরেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাজ্য সংসদের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে ওই ভোটাভুটিতে ২৩০ ভোটের ব্যবধানে হারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

টানা পাঁচ দিন আলোচনার পর পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাতে ওই ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দেশটির ইতিহাসে পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে কোনও ক্ষমতাসীন সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারার রেকর্ড।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় ৪৩২ জন এমপি চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর পক্ষে ছিলেন ২০২ জন।

পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীনদের পরাজয়ের পর লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন অনাস্থা ভোটের প্রস্তাব দিয়েছে। আজ বুধবার ওই অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছেন।

খবরে বলা হচ্ছে, এর ফলে দেশটির আগাম সাধারণ নির্বাচন হতে পারে।

দুই বছর ধরে কাঠখড় পুড়িয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-র সঙ্গে ওই চুক্তি করা মে’র জন্য একটি বড় আঘাতই মনে করা হচ্ছে। যদিও ভোটাভুটির ফলাফল যে থেরেসা মের বিপক্ষে যাবে সেটা অনুমেয়ই ছিল। তাই অনেকেই এই ফলাফলে মোটেও বিস্মিত হচ্ছেন না।

ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন হলে আগামী ২৯ মার্চ ইইউ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে ব্রিটেনের।

ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য থেরেসা মের চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ছিল এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠান। থেরেসা মের প্রস্তাবিত চুক্তিটি অধিকাংশ সাংসদরা বাতিল করায় তার সামনে এখন দুইটা পথ খোলা আছে। তা হচ্ছে চুক্তির নতুন খসড়া তৈরি করা। না হলে, ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের সময় বাড়িয়ে নেয়া।

তবে ক্ষমতাসীনরা এমন কিছু নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে কোনও রকমের চুক্তি ছাড়াই ২৭টি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে ব্রিটেনকে। এতে বেশ বড়সড় সংকটে পড়বে দেশটির অর্থনীতি তথা সামাজিক অবস্থা।

উল্লেখ্য, ৬৫০ আইনপ্রণেতার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে স্পিকার ও তার তিন সহযোগী মিলে চারজনের ভোট দেয়ার অধিকার নেই।