চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯

‘মনোনয়ন বাণিজ্য করে কীভাবে জয়ে আশা করে?’

প্রকাশ: ২০১৯-০১-১০ ২০:৪৩:২৬ || আপডেট: ২০১৯-০১-১১ ১০:২৬:১০

নিজেদের মনোনয়ন নিলামে তোলার পরও বিএনপি কীভাবে নির্বাচনে জয়লাভের আশা করেছিল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ‘যারা এমন মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে বা তা নিলামে তুলেছে তারা কীভাবে আশা করে যে বিজয়ী হবে?’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির ব্যর্থতার কারণ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে বিএনপির ব্যর্থতার পেছনে কারণ কী ছিল তা দলটির নেতাদের ভেবে দেখতে হবে। বিএনপি ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে আগুন সন্ত্রাসের অপকর্ম চালিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

‘তারা নির্বাচন (২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচন) প্রতিহত করার চেষ্টা করে সফল হতে পারেনি। কারণ দেশের জনগণ আমাদের পাশে এসে তাদের প্রতিহত করেছিল,’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি ২০১৩ ও ২০১৪ সালে আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে নির্বাচন প্রতিহত করতে চেয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার পতনের জন্য বিএনপি ২০১৫ সালে মানুষ পুড়িয়ে মারার আন্দোলন করেছে। ‘জনগণ তা মেনে নিতে পারেনি। জনগণ তাদের প্রতিহত করেছে…তাদের অবরোধ (২০১৫ সালে বিএনপির ডাকা) এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। এটি এখনও চলছে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও আবদুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এবং উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম যৌথভাবে আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের কারাগারে ২৯০ দিন বন্দী থাকার পর লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।