চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন সরকার সোমবার

প্রকাশ: ২০১৯-০১-০৩ ২০:৪৬:০১ || আপডেট: ২০১৯-০১-০৩ ২০:৪৬:০৭

একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটে জয়ী আওয়ামী লীগ সোমবার নতুন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংসদ সদস্য হিসেবে শপথের পর পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। আর এরপরই সোমবার মন্ত্রিসভার শপথের সিদ্ধান্ত হয়।

এবার নিয়ে টানা তৃতীয় এবং সব মিলিয়ে চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে এই নজির এর আগে কেউ তৈরি করতে পারেনি।

১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে জিতে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন বঙ্গবন্ধু কন্যা। মাঝের ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরে গেলে তিনি হন বিরোধীদলীয় নেতা।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর জানুয়ারিতে দ্বিতীয় দফা এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের এক সপ্তাহ পর তৃতীয় দফা সরকার গঠন করেন তিনি।

গত রবিবার ভোটের পর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোনো সংশয় ছিল না। কারণ, ১৫১টি আসন পাওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও আওয়ামী লীগ পেয়েছে তারচেয়েও ১০৬টি বেশি।

আওয়ামী লীগ, তার শরিক, স্বতন্ত্র মিলিয়ে শপথ নেন ২৮৯ জন। এরপর দলের সংসদীয় দলের সভা করে আওয়ামী লীগ। সেখানে শেখ হাসিনাকে করা হয় সংসদীয় দলের নেতা।

বিকাল চারটায় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুকে নিয়ে শেখ হাসিনা যান বঙ্গভবনে। সেখানেই তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় সরকার গঠনের।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন। পরে তিনি জানান, সোমবার বিকাল সাড়ে তিন টায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হবে।

মন্ত্রিপরিষত সচিব শফিউল আলম জানান, তারা শপথ অনুষ্ঠানের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ তিনিই পড়ান।

আলোচনা এখন বিরোধী দল কে হবে, সেটা নিয়েই। কারণ, বিএনপি ও তার জোট ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে কেবল সাতটি আসন। তবে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে তারা শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া জাতীয় পার্টি আসন পেয়েছে ২২টি। তারা লাঙ্গল প্রতীকে ভোট করায় তারা চাইলে বিরোধী দলে যেতে পারবে। জাতীয় পার্টি কেবল সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দলে গেলে এবার আর মন্ত্রিসভায় থাকবে না তারা। তবে বিরোধী দলে তারা যাবে কি না, এটা মহাজোটের সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন নেতারা।