চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

‘চট্টগ্রাম আদালতের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাসহ আইনজীবিদের সমস্যা সমাধানের দৃঢ় প্রত্যয়’

প্রকাশ: ২০১৮-১২-০৫ ১৮:৫৪:৫৪ || আপডেট: ২০১৮-১২-০৫ ১৯:০২:০০

একান্ত আলাপচারিতায় যুগ্ম সম্পাদক পদপ্রার্থী এডভোকেট জালাল উদ্দিন পারভেজ

আখতার হোসাইন:

বাংলাদেশের ঐতিহ্যের দিক দিয়ে চট্টগ্রাম আদালত কোন অংশে কম ছিল না। সেই পুরানো ঐতিহ্য এখন নানা কারণে হারাতে বসেছে। হারানো ঐতিহ্যকে পুণ:উজ্জীবিত করতে আইনজীবিদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করা প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন চট্টগ্রমের তরুন আইনজীবি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবি সমিতির নির্বাচন-২০১৯ এ অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্ব›িদ্বতাকারী এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন পারভেজ।

আজ তার সাথে আলাপ চারিতায় সিটিজি টাইমসকে উপরোক্ত কথা জানান তিনি।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের উদীয়মান আইনজীবি জালাল উদ্দিন পারভেজ আরো বলেছেন, চট্টগ্রাম আদলতে বিচার প্রার্থীরা এক শ্রেণীর টাউট বাটপারদের খপ্পরে পড়ে হয়রানী শিকার হচ্ছে। দালালদের খপ্পরে পড়ে বিচারপ্রার্থীরা প্রতিনিয়ত হয়রানী ও বিভ্রান্তিতে পড়ছে। এমনকি আইনজীবিদের বদনামও কম হচ্ছে না। সমিতির নির্বাচনে তিনি জয়ী হলে টাউট মুক্ত আদালত প্রাঙ্গন গড়ে তোলবে বলে ঘোষণা দেন।

চট্টগ্রাম আদালতে আইনজীবিদের চেম্বার সংকটসহ নানা সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদালতে আইনজীবিদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পেশার মানোন্নয়ন ও আইনজীবিদের অধিকার আদায়ে অগ্রণি ভুমিকা পালন এবং আইনজীবি ও বিচারপ্রার্থীদের সুনিভিড় নিরাপত্তার জন্য আইনজীব সমিতির সকল কর্তাদের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করা হবে।

চট্টগ্রাম আদালতে আইনজীবিদের মাঝে দলাদলী ও রাজনৈতিক মতভেদে সৃষ্ট সমস্যা গুলো সমাধান করে সিনিয়র, জুনয়িার ও শিক্ষানবীশ আইনজীবিদের মাঝে সৌহার্দ্য পূর্ণ পরিবেশ তৈরী করা হবে। যেন অতীতের মতো এজলাসে হামলাসহ আইন শৃংখলা নষ্ট না হয়।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরাম ও আইনজীবি ঐক্য পরিষদের প্যানেলে লড়তে ইতিমধ্যে এডভোকেট জালাল উদ্দিন পারভেজ ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন। এই তরুন আইনজীবি ছাত্রজীবন থেকে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও সংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এম এস এস পাশ করে আর্ন্তজাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল এল বি পাশ করে আইনজীবি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় তিনি প্রাক্তন ছাত্রপরিষদের যুগ্ম আহবায়ক ও আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও তিনি হাজী জরিফ আলী সমাজ কল্যাণ পরিষদের প্রধান পৃষ্টপোষক, হাজী জরিফ আলী লিগ্যাল এইড সেন্টারের প্রধান নির্বাহী, ইন্ডিপেন্ডেন্ট লইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি,লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং এর সদস্য, হিউম্যান রাইটস মনিটরিং সেলের সদস্য, চট্টগ্রাম কর আইনজীবি সমিতির সদস্য ও সিটি কর্পোরেশনের এসেসমেন্ট রিভিউ বোর্ড এর একজন প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি তার কর্মজীবনের দীর্ঘ ১০ বছরে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবি সমিতিতে বিভিন্ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। যেখানে বিরোধ সেখানে তিনি সমাধানের পথ খুঁজে বের করেন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অনুসারী আইনজীবিদের সাথে তার সুসম্পর্ক আদালত প্রাঙ্গনে ভিন্নতা দেখা দেয়। বলতে গেলে তিনি রাজনীতির উর্ধ্বে থাকায় সকলের জনপ্রিয় হিসেবে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই তরুন উদীয়মান আইনজীবি ও সংগঠক বহু প্রতিভার অধিকারী এডভোকেট জালাল উদ্দিন পারভেজ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার দক্ষিণ মাদার্শা গ্রামের হাজী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন ও রওশন আরা বেগমের সুযোগ্য পুত্র।