চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

এই মুহূর্তে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা সরকারের পক্ষে সম্ভব না: কাদের

প্রকাশ: ২০১৮-১২-০১ ১৪:০৪:৫০ || আপডেট: ২০১৮-১২-০১ ১৪:০৪:৫০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, জামায়াত নিষিদ্ধের বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার। সামনে নির্বাচন। মাত্র ২৮ দিন বাকী আছে। এই মুহূর্তে জামায়াত কিংবা অন্য কোনো দলকে নিষিদ্ধের বিষয়ে সরকারের পক্ষে কিছু করা সম্ভব না।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি এবং জামায়াতের সম্পর্ক একেবারেই আদর্শিক। তারা সারা বছর এক সঙ্গেই কাজ করে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসন নিয়ে বিএনপি এর আগেও দম্ভ করেছিল এবং নিজেদের করুণ পরিণতি ডেকে এনেছিল। তারা এবারও দম্ভ করছে। দম্ভ আর অহংকারই তাদের করুণ পরিণতির কারণ।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, আগে বিএনপি বলেছিল আওয়ামী লীগ ৭০টি আসনও পাবে না, এ ধরনের বক্তব্য ও দম্ভের কারণে সেই নির্বাচনে তাদের কী পরিণতি হয়েছে, সেটা জাতি জানে।

তিনি বলেন,এখন তারা বলছে আওয়ামী লীগ ৩০ আসনও পাবে না, তাদের এমন বক্তেব্যে উল্টো তাদেরই পতন হবে।

কাদের আরও বলেন, আমরা চাই, একটা ইনক্লুসিভ, পার্টিসেপটরি, ক্রেডিবল একসেপ্টেবল, ফ্রি-অ্যান্ড ফেয়ার অ্যান্ড নিউট্রাল নির্বাচন হোক। সেখানে বিএনপি অংশগ্রহণ করুক। গতবারের মতো ভুয়া অভিযোগ দিয়ে নির্বাচন বয়কট করুক, এটা চাই না।

‘বিএনপি নেতাদের গণহারে গ্রেফতার করে সরকার নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট’ করছে মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যাদের পল্টনের ঘটনায় আটক করা হয়েছে। তারা হচ্ছে একেবারে চিহ্নিত সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করলে এটা কি রাজনৈতিক কোনো নেতাকর্মীকে গ্রেফতার? এটা কেন ভাবেন? তাদের দলের বেশির ভাগ নেতাকর্মী সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করবে। ক্রিমিনাল অফেন্ডারকে গ্রেফতার করতেই হবে? আপনারা কি ইনফিউনিটি কালচার গড়ে তুলবেন?

কাদের আরও বলেন, বিএনপি যখন যা খুশি তাই বলছে। আসলে তারা নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচন বানচালের বিভিন্ন অজুহাত তুলছে। আমি এটাকে তারই অংশ হিসেবে মনে করি।

এ সময় আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম বলেন, আমাদের নির্বাচন পরিচালনার ১৫টি উপকমিটি আছে। প্রত্যেকটি উপকমিটি তারা কাজ কীভাবে করছে। তাদের আহ্বায়ক এবং সদস্যসচিবদের সবাই এখানে এসেছেন। আমরা মূলত আমাদের কাজের কার কী অগ্রগতি হলো এবং কো-অর্ডিনেশনটা যাতে ভালোভাবে হয়, এগুলো নিয়েই আলোচনা করেছি। পরে আমাদের সাধারণ সম্পাদককে তা অবহিত করেছি।