চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮

ইউপি সদস্য থেকে সংসদে যাওয়ার দৌড়ে বিএনপির আমিন চেয়ারম্যান!

প্রকাশ: ২০১৮-১১-২৮ ১৬:১৮:০৮ || আপডেট: ২০১৮-১১-২৯ ১১:১০:০৯

এম মাঈন উদ্দিন
মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি


ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার (সদস্য) নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে জনপ্রতিনিধিত্ব শুরু। এরপর নির্বাচিত হন চেয়ারম্যান। তারপর উপজেলা চেয়ারম্যান। এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়নলাভ করে সংসদে যাওয়ার দৌড়ে অবতীর্ণ হলেন নুরুল আমিন। যাকে সবাই নুরুল আমিন চেয়ারম্যান বলেই চেনেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তাঁর হাতে দলীয় মনোনয়নপত্র তুলে দিয়েছে। অবশ্য এ আসনে তাঁর বিকল্প হিসেবে এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি শিল্পপতি কামাল উদ্দিন আহম্মদ ও কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম ইউসুফের নামও ঘোষণা করেছে দলটি।

জানা গেছে, নুরুল আমিন ১৯৯৮ সালে উপজেলার ৫ নম্বর ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৩-২০১১ পর্যন্ত ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮-২০১২ পর্যন্ত ওসমানপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ২০০৯ সালে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও একই বছর কাউন্সিলের মাধ্যমে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী নিজাম উদ্দিন বলেন, মিরসরাই বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী আমিন চেয়ারম্যান। উপজেলা বিএনপি যখন নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়ে ঠিক তখনই ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন তিনি। গত ১০ বছরে সকল আন্দোলন সংগ্রাম হামলা, মামলায় অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। নেতা-কর্মীদের সুখে, দুঃখে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, জনগনের ভোটে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও সরকারের প্রতিহিংসার কারণে মাত্র ৬ মাসের বেশি দায়িত্ব পালন করতে পারেন নি। দলের হাইকমান্ড বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে কার অবদান ছিলো সে বিষয়টি বিবেচনা করে নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে মনোনয়ন দিয়েছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ধানের শীষ প্রতিকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবে ইনশাআল্লাহ।

বিকল্প প্রার্থী ঘোষণা প্রসঙ্গে নুরুল আমিন বলেন, ‘সরকার কখন কাকে জেলে ঢুকিয়ে দেয় তার কোন ঠিক নেই, তাই বিকল্প হিসেবে কামাল সাহেব ও মনিরুল ইসলাম ইউসুফকে রাখা হয়েছে।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন আরো বলেন, ‘জীবনে কোন নির্বাচনে আমি পরাজিত হইনি। এবারও ইনশাল্লাহ হারবো না। ধানের শীষ প্রতীকের জয় সুনিশ্চিত করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করবো।’