চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

মিরসরাইয়ে পটকা মাছ খেয়ে দাদী-নাতনির মৃত্যু, অসুস্থ আরও সাতজন

প্রকাশ: ২০১৮-১১-১৫ ২৩:৩০:৩৭ || আপডেট: ২০১৮-১১-১৬ ১৪:০০:০০

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় বিষাক্ত পটকা মাছ খেয়ে অসুস্থ হয়ে এক দাদী ও শিশুবয়সী নাতনির মৃত্যু হয়েছে। একই পরিবারের আরও ৭ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

যাদের মৃত্যু হয়েছে তারা হলেন, ফজিলা খাতুন (৬০) ও তার নাতনি মরিয়ম (৩)।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, মরিয়মের বাবা শফিকুল ইসলাম (৩৫), মা বিলকিস (৩০), ভাই রাব্বি (১০) ও সাব্বির (৭) এবং বোন ঝর্ণা (৮) ও আতিয়া (২) এবং মরিয়মের মামা আমজাদ হোসেন (২৬)।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে ৭ জনকে এনে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, মরিয়মের বাবা ও দুই মামা মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভার অধীনে পরিচ্ছন্ন কর্মীর কাজ করেন। তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে। বারইয়ারহাট পৌরসভার চিনকি আস্তানা এলাকায় ভাড়া বাসায় তারা থাকেন।

মরিয়মের মামা হোসেন মিয়া জানান, মরিয়মের দাদী ফজিলা খাতুন প্রতিদিন বারইয়ার হাট বাজারে পরিত্যক্ত মাছ কুড়াতে যান। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি পটকা মাছ কুড়িয়ে আনেন। রান্না করা পটকা মাছ দুপুরে খেয়ে একে একে অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকেন সবাই। তারা সবাই বমি করতে শুরু করেন।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ফজিলা খাতুন ও মরিয়ম ঘরেই মারা যান বলে জানিয়েছেন হোসেন মিয়া।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে যে সাতজন ভর্তি আছেন তারাও গুরুতর অসুস্থ। যে দুইজন মারা গেছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন তাদের হাসপাতালে আনা হয়নি।’

পটকা মাছ ইংরেজিতে ব্লো বা বেলুন মাছ হিসেবে পরিচিত এবং স্থানীয়ভাবে পটকা বা টেপা মাছ। বিজ্ঞানীদের মতে, টেট্রোডোটক্সিন নামে বিষ আছে এই পটকায়।