চট্টগ্রাম, , রোববার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮

তফসিল ঘোষণার পর চট্টগ্রামে বাড়ানো হয়েছে র‌্যাবের টহল

প্রকাশ: ২০১৮-১১-০৯ ১১:৪৬:৫৩ || আপডেট: ২০১৮-১১-০৯ ১১:৪৮:১৫

নির্বাচনকালীন সময়ে নাশকতা এবং বোমাবাজির মতো বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে র‌্যাব। তফসিল ঘোষণার পরপরই চট্টগ্রামে বাড়ানো হয়েছে র‌্যাবের টহল। সে সাথে অস্ত্র পাচারের রুটগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি তদারকি’র আওতায় আনা হয়েছে বিস্ফোরক দ্রব্য বেচাকেনাও।

জাতীয় রাজনীতিতে বৃহত্তর চট্টগ্রামের অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। বিগত দিনগুলোতে নির্বাচন করা কিংবা প্রতিরোধ করা দু’পক্ষের’ই শক্ত অবস্থান দেখা গেছে এখানে। যে কারণে বোমাবাজি কিংবা নাশকতার পরিমাণ’ও ছিলো বেশি। তাই এবার তফসিল ঘোষণার পরপরই নাশকতা এবং সংঘাত এড়াতে মাঠে নেমেছেন র‌্যাব-সাতের সদস্যরা।

কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম বলেন, ‘জনগণের সুবিধার্থে যেন কোন অরাজকতা সৃষ্টি না হয় সে কারণে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি আমাদের বাড়তি ফোর্স রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

নির্বাচনে অস্ত্রের ব্যবহার মারাত্মক আকারে বেড়ে যায়। আর পার্বত্য এলাকা, চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকা থেকে অস্ত্র পাচারের নিরাপদ রুট চট্টগ্রাম। নির্বাচনকালীন সময়ে অস্ত্রের পাচার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন র‌্যাবের এ কর্মকর্তা।

র‌্যাব-৭ অপস অফিসার মাশরুকুর রহমান বলেন, ‘এসব রাস্তাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছি। নির্বাচন পর্যন্ত এটা অব্যাহত রাখবো।’

বিগত সময়ে নাশকতা এবং বোমবাজির কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরকের বেশির ভাগ সরবরাহ হয়েছিল চট্টগ্রাম থেকেই। তাই এবার বিস্ফোরক ব্যবসায়ীদের’ও র‌্যাব নজরদারির মধ্যে রাখতে চায়।

র‌্যাব-৭ সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিমতানুর রহমান বলেন, ‘যারা এসব বিস্ফোরক কেনাবেচা করেন, এসব ব্যবসায়ীদের ওপর কঠোর মনিটরিং রাখছি।’

চট্টগ্রাম ছাড়াও ফেনী, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার জেলায় রয়েছে র‌্যাব-সাতের কার্যক্রম। এখানকার ৫টি ক্যাম্পে নিয়োজিত রয়েছেন র‌্যাবের ৬শ ৬৮টি জন সদস্য। আর এই ৬ জেলায় সংসদীয় আসন রয়েছে ২৭টি।