চট্টগ্রাম, , রোববার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮

‘২য় দফা সংলাপ ব্যর্থ হলে সর্বশক্তি দিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বে ঐক্যফ্রন্ট’

প্রকাশ: ২০১৮-১১-০৬ ১৫:৫৯:৫৯ || আপডেট: ২০১৮-১১-০৬ ১৯:০৮:৩৯

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় বক্তারা বলেছেন, ২য় দফা সংলাপ ব্যর্থ হলে সর্বশক্তি দিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বে ঐক্যফ্রন্ট।
মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় বক্তারা সরকারের উদ্দেশে এ হুঁশিয়ারি দেন।

বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, ‘যখন কোনো স্বৈরাচার সরকার প্রতিপক্ষের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় তখন বুঝতে হবে আমরা জয়ের মুখোমুখি।’

আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায়ের আন্দোলনে আমরা জয়ের মুখোমুখি। সেই লক্ষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি। সরকার দূর্বল হচ্ছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং জয়লাভ করবে।’

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেখানে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বেগম জিয়ার নেতৃত্ব দেয়ার কথা সেখানে তিনি মিথ্যা মামলায় কারাগারে রয়েছে। অবিলম্বে তাঁর মুক্তির দাবি করছি।’

সরকার ২য় দফা সংলাপে ব্যর্থ হলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সর্বশক্তি দিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আমাদের সংলাপ ও আন্দোলন একসাথে চলবে।সরকার সংলাপে ব্যর্থ হলে সর্বশক্তি দিয়ে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।’

জনসভাকে কেন্দ্র করে সরকার সমস্ত রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিয়েছে অভিযোগ করে আলাল বলেন, ‘অনেক সময় গড়িয়ে গেছে, ১০ বছর চলে গেছে, নির্বাচনও ঘনিয়ে এসেছে তবুও সরকার এই জনসভাকে কেন্দ্র করে বাস, ট্রাকসহ সমস্ত রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিয়েছে, তারপরও জনসভার এই জনসমুদ্র প্রমাণ করে এই সরকারের প্রতি জনগণের কোনো আস্থা নেই।’

নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে হবে। তাছাড়াও দেশে কোন অর্থবহ নির্বাচন হবে না, জনগণও মেনে নেবে না।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরেরর সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরীর এ্যানীর সঞ্চালনায় জনসভায় গণফোরাম সভাপতি ড.কামাল হোসেন, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, আলতাব হোসেন, বেগম সেলিমা রহমান, মো. শাজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, ডা. জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক,হা বিবুর রহমান হাবিব, ড. সুকোমল বড়ুয়া, আব্দুল আব্দুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, এমরান সালেহ প্রিন্স, শ্যামা ওবায়েদ প্রমুখ উপস্থিত আছেন।