চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮

মিরসরাইয়ে শাহ আলম হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

প্রকাশ: ২০১৮-১১-০১ ২২:৩৬:২৪ || আপডেট: ২০১৮-১১-০১ ২২:৩৬:২৪

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে শাহ আলম হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে ঘটনার ১৬ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে মিরসরাই থানা পুলিশ। আসামী সোহেল উদ্দিন (২৮) মিরসরাই থানাধীন নিজামপুর এলাকায় মধ্যম ওয়াহেদপুরের এরাদুল হক ফকিরের ছেলে। হত্যাকান্ডের পর থেকে মিরসরাই সার্কেল এএসপি সামসু উদ্দিন, মিরসরাই থানার ওসি জাহিদুল কবির ও ওসি তদন্ত বিপুল চন্দ্র দেবনাথের নের্তৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার ১৬ ঘন্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের অলংকার মোড় থেকে সোহেলকে গ্রেফতার করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জিয়া উদ্দিন। গ্রেফতারের পর তাকে থানা কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিক দের সামনে হাজির করলে সে ঘটনার বিস্তারত বর্ননা দেয়।

এসময় আসামী সোহেল বলে, সোহেলের সাথে নিহত শাহ আলমের বিগত কয়েক বছর পূর্বে জমি চাষ নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। বিরোধের জেরে সেসময় শাহ আলম সোহেলকে মেরে পা ভেঙ্গে দেয়। এদিকে অন্য আসামী একই এলাকার রায়হানের ভাই শাহজাহান ওই ঘটনাস্থলের আশপাশে মদ বিক্রি করতো। এ মদ বিক্রি নিয়েও নিহত শাহ আলমের সাথে রাংহান গংদের ঝগড়া বিবাদ হয়। সব মিলিয়ে শাহ আলমের উপর প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠে সোহেল ও রায়হান গং। ঘটনার দিন নিহত শাহ আলম ও তারবন্ধু আলাউদ্দিন পাশবর্তি উপজেলা ফটিকছড়ি থেকে এসে স্থানীয় বৈরাগী টিলার নীচে অবস্থান করে। এসময় শাহজাহান বিষয়টি রায়হানকে জানায়। রায়হান ও সোহেল মিলে একটি চাপাতি ও একটি রড় নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় শাহ আলমের সাথে থাকা আলাউদ্দিনকে ধাাক্কামেরে পেলে দিয়ে শাহ আলমকে টেনে হিছড়ে পাহাড়ের উপরে নিয়ে রায়হান এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে আর সোহেল রড় দিয়ে আঘাত করে শাহ আলমকে সেখানে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তার পরিবার তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এঘটনায় নিহতের পরিবার সোহেল ও রায়হানকে নামিয় আসামী এবং অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামী করে মিরসরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য যে, গতকাল ৩১ শে অক্টোবর সন্ধ্যায় মিররসায়ের নিজামপুরের ওয়াহেদপুর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরধরে শ্রমিক শাহ আলমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত শাহ আলম ওই এলাকার আলী আকবরের ছেলে। পেশায় সে ছিল শ্রমিক।