চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮

খালেদা জিয়ার সাত বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ২০১৮-১০-২৯ ১৪:০২:২৩ || আপডেট: ২০১৮-১০-২৯ ১৪:০২:২৩

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চার আসামীকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে জরিমানা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। টাকা না দিলে আরও ছয় মাস কারাগারে থাকতে হবে তাকে। এছাড়া মামলার ৪২ কাটা জমি বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এই মামলার অন্য আসামি বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, জিয়াউল হক মুন্না এবং মুনিরুল ইসলাম খানের একই সাজা হয়েছে।

সোমবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান সোমবার এই আদেশ দেন।

এর আগে বেলা ১১টা ২৩ মিনিটে বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত অস্থায়ী আদালতে এ মামলার রায় পড়া শুরু করেন।

এদিন হাইকোর্টের আপিল বিভাগ খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় বহাল রাখেন। এর ফলে এ মামলায় বিচারিক আদালতে রায় ঘোষণা করতে আইনি বাধা দূর হয়। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ আজ সোমবার এ সংক্রান্ত আদেশ দেয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে পরপর কয়েকদিন না আসার পরিপ্রেক্ষিতে তার অনুপস্থিতিতেও বিচার চলবে বলে বিশেষ জজ আদালত যে আদেশ দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে করা রিভিশন আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করেন খালেদার আইনজীবীরা। আজ ওই আবেদন খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

চলতি বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিভিশন আবেদনটি করা হয়। এছাড়া ২০ সেপ্টেম্বর তার অনুপস্থিতিতেও বিচার চলবে বলে আদেশ দেয় বিচারিক আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ -এর বিচারক আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেত্রীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা হয়েছিল খালেদা জিয়ার। তার পুত্র তারেক রহমানসহ অপর আসামিদের কারাদণ্ড হয় ১০ বছরের।