চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮

টেকনাফে গুলিতে ‘মাদক কারবারি’ নিহত

প্রকাশ: ২০১৮-১০-২৬ ১০:২৯:৪৩ || আপডেট: ২০১৮-১০-২৬ ১৪:০৫:২৭

আমান উল্লাহ কবির

টেকনাফে দু‘গ্রুপ ইয়াবা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইয়াবার চালান খালাস নিয়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, ২৬ অক্টোবর ভোরে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ হ্নীলা হতে মাদক বিরোধী অভিযান শেষে ফেরার পথে দমদমিয়া এলাকায় পৌঁছলে নাফনদীর কিনারায় গোলাগুলির শব্দ শুনতে পায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ইয়াবা কারবারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও আত্নরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। এসময় উভয়পক্ষের প্রায় ৩৫/৪০ রাউন্ড গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে একটি গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ, ২টি দেশীয় তৈরী অস্ত্র, ১০ রাউন্ড বুলেট ও ৬ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। মৃতদেহ থানায় নিয়ে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের উলুচামরী এলাকার কালা মিয়া প্রকাশ কালুর পুত্র হামিদুল ইসলাম প্রকাশ লালাইয়া ওরফে লালাইয়া বলে (৩৫) সনাক্ত করে।

নিহত ইয়াবা কারবারী লালাইয়া উক্ত এলাকার ইয়াবা ডন মৃত সিকদার আলীর পুত্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা ডন হামিদ হোছনের সেকেন্ড ইন কমান্ড। সে বিভিন্ন সংস্থার সোর্স পরিচয়ে এবং জনৈক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির ছত্রছায়ায় নানা অপতৎপরতা চালিয়ে জনজীবনকে বিষাক্ত করে তুলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় ৩টি মাদক, ৪টি মারামারি ও ১টি মানবপাচারসহ বেশ কয়েকটি বিভিন্ন অপরাধের মামলা রয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ, এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, নিহত ইয়াবা কারবারীর লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা, অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক ৩টি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি আরো জানান, নিহত লালুর বিরুদ্ধে ৩টি মাদক, ৪টি মারামারি ও ১টি মানবপাচারসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য গত ২৪ অক্টোবর মুফিজ আলম নামে এক ইয়াবা কারবারি বন্ধুক যুদ্ধে নিহত হয়েছিল।