চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

মডেলিং এবং বাসযোগ্য নগরী হচ্ছে চট্টগ্রাম, জয়া আহসান

প্রকাশ: ২০১৮-১০-১০ ১৯:৫৭:৪৮ || আপডেট: ২০১৮-১০-১০ ১৯:৫৭:৪৮

চট্টগ্রামে প্রেম’র কালেকশনের শোরুম উদ্বোধন

আখতার হোসাইন

বর্ণিল আয়োজনে চট্টগ্রামের ইউনুস্কো সিটি সেন্টারে ৬ষ্ট তলায় উপমহাদেশের শীর্ষস্থানীয় অভিজাত ফ্যাশন হাউজ প্রেম’স কালেকশনের শো রুমের উদ্বোধন করলে মডেল ও অভিনেত্রী জয়া আহসান। অদ্য বুধবার শো রুমটিতে বসে তারার মেলা। জয়া আহসান এবং মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮ জান্নাতুন নাঈম ঐশীর উপস্থিতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি গ্ল্যামারাস হয়ে উঠে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জয়া আহসান প্রেম’স কালেকশনের পোশাকের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন, আমার মনে হয়েছে পোশাকের মান ও ডিজাইনের নতুনত্বের জন্য প্রেম’স কালেকশন্স শুরু থেকেই আলাদা। আমার প্রথম পছন্দ প্রেম’স কালেকশন। আমি সব সময় এখান থেকে কেনা কাটা করি।

প্রেম’র কালেকশনের ডিরেক্টর ও প্রধান ডিজাইনার প্রেম বম্বানি শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলে, চট্টগ্রামের ফ্যাশন সচেতনদের জন্য শো রুম করার ইচ্ছা আমার দীর্ঘদিনের। এখানকার অনেকেই ঢাকায় এবং বিদেশে গিয়ে আমার ডিজাইন করা পোশাক বেশী দামে ক্রয় করেন। এখন থেকৈ আপনার শহরে প্রেম’স কালেকশনের পাবেন উপমহাদেশের এক্সক্লুসিভ সব ডিজাইনের পোশাক। বিশেষ করে বিয়ের শাড়ি, গাউন ও শেরওয়ানীর এমন কালেকশন ও এক্সক্লুসিভ ডিজাইন আর কোথাও পাবেন না। গত ২৫ বছর যাবত আমি এ দেশের ফ্যাশনের সাথে জড়িত। আমি জানি এখানকার ফ্যাশনপ্রিয় মানুষের চাহিদা, সে অনুযায়ী এক্সক্লুসিভ সব ডিজাইন নিয়ে এসেছি আপনার শহরে।

জয়া আহসান সিটিজি টাইমসকে বলেন, চট্টগ্রাম হচ্ছে একটি নান্দনিক শহর। বাংলাদেশের সবচেয়ে বসবাসের উপযোগী হচ্ছে চট্টগ্রাম। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে যদি একটি বাড়ী থাকতো তাহলে আমি এখান থেকে প্রতিদিন ঢাকায় গিয়ে অফিস করে ফিরে আসতাম। মডেলিং এবং অভিনয় করারও শ্রেষ্ট একটি জায়গা হচ্ছে চট্টগ্রাম বিভাগ। পার্বত্য অঞ্চল, কক্সবাজার সব মিলিয়ে চট্টগ্রামকে আমি বেশী ভালবাসি। চট্টগ্রামকে আলাদা করে দেখের সারাদেশের মানুষ এমন মন্তব্য করেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী জয়া আহসান। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডাইরেক্টর দিলিপ কুমার। উদ্বোধন শেষে জয়া আহসান ও উপস্থিত মডেল ও অভিনেত্রীরা বিশাল প্রেম’স এর শো রুম ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং আগত ক্রেতাদের সাথে সময় কাটান। প্রচুর ক্রেতা এ সময় মিস ওয়ার্ল্ড ও অভিনেত্রী-মডেলদের পেয়ে আনন্দঘন মুহুর্তগুলো ক্যামরা বন্দী করে।