চট্টগ্রাম, , সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

চট্টগ্রামে আশ্বিনে বৃষ্টি: স্বস্তির সাথে দুর্ভোগও

প্রকাশ: ২০১৮-১০-০৮ ১৮:০৬:০৬ || আপডেট: ২০১৮-১০-০৯ ১২:৪৭:৩৯

আখতার হোসাইন

জলবায়ুর পরিবর্তনে ক্রমশ পরিবর্তন হচ্ছে প্রকৃতির চরিত্রও। যতই দিন যাচ্ছে আবহাওয়া ততই বিরূপ হয়ে উঠছে। যে আশ্বিনে শরীরে খানিকটা ঠান্ডা ভর করার কথা, এখন সেই আশ্বিনে শরীর থেকে দরদর করে ঝরছে ঘাম। সকালের রোদ্দুরও শরীরে বিঁধছে তিরের ফলার মতো। বিকালের রোদ যখন মিইয়ে আসে, তখনো শরীর থেকে ঘাম ঝরতে থাকে। গরমের তীব্রতা কমছে না সন্ধ্যা কিংবা রাতেও।

কিন্তু দিনের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ বৃষ্টি মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এলেও বিড়ম্বনায় পড়ে স্কুল ফেরত শিক্ষার্থীসহ কর্মজীবি মানুষেরা। দেখা গেছে নগরীর কোন কোন জায়গায় প্রচন্ড বৃষ্টি আবার কোন কোন জায়গায় প্রচন্ড রোদে হাহাকার জীবন। আবার কোন কোন এলাকায় রোদ ও বৃষ্টি এক সাথে হচ্ছে।

দুপুরে হঠাৎ বৃষ্টির কারনে স্কুল কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা বেশী দুভোর্েেগ পড়ে। দেওয়ান হাট সিটি কর্পোরেশন কলেজের ছাত্রী তাবাসসুম তাহিয়া বলেন, বাড়ী থেকে বের হওয়ার সময় প্রচন্ড রোদ। গরমে অস্থির অবস্থা। ছুটির পর হঠাৎ বৃষ্টির কারণে বিড়ম্বনার কথা জানান তিনি। ছাতা নিয়ে বের হয়নি বিধায় বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ী ফিরতে হচ্ছে। পোস্তার পাড় স্কুলের শিক্ষার্থী পপি বড়ুয়া জানান, এই বৃষ্টির কারণে অনেকটা স্বস্তি বোধ করছি। তবে বিড়ম্বনা হলেও ভাল লাগছে। কারণ গরমে অস্থির ছিলাম। ক্লাসেও প্রচন্ড গরম ছিল।

অন্যদিকে দেখা যায়, দেওয়ান হাট প্রতি সোমবার পাখির বাজার বসে। আজও যথানিয়মে বাজার বসলেও বৃষ্টি আসার ফলে তাদের খানিকটা বিড়ম্বনা পোহাতে হয়। খোলা আকাশের নিচে পাখি গুলো ভিজে গেছে। পাখি গুলো নিয়ে দাড়াঁনোর জায়গাটাও ভিজে পানি জমে যাওয়ায় তাদের বিড়ম্বনা আরো বেড়ে যায় বলে জানান পাখি বিক্রেতা আলমগীর।