চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

মিয়ানমারের মানচিত্রে সেন্টমার্টিন, রাষ্ট্রদূতকে তলব

প্রকাশ: ২০১৮-১০-০৬ ১৮:১১:১৯ || আপডেট: ২০১৮-১০-০৬ ১৮:৩০:২৫

সেইন্ট মার্টিন দ্বীপপুঞ্জকে মিয়ানমারের মানচিত্রে যোগ করার ঘটনায় দেশটির রাষ্ট্রদূতকে জরুরি তলব করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত লুইন উকে তলব করে এ বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

তবে এ বিষয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমার সরকারের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের ওয়েবসাইট সম্প্রতি তাদের দেশের যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে, তাতে সেন্টমার্টিন দ্বীপপুঞ্জকে তাদের ভূখণ্ডের অংশ দেখানো হয়ে। ওই মানচিত্রে মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ড এবং বঙ্গোসাগরে বাংলাদেশের অন্তর্গত সেন্টমার্টিন দ্বীপকে একই রঙে চিহ্নিত করা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশের ভূভাগ চিহ্নিত করা হয় অন্য রঙে।

বাংলাদেশের ভূখণ্ড মিয়ানমারের মানচিত্রে এভাবে প্রদর্শনের ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয় রাষ্ট্রদূতের কাছে। এর জবাবে তিনি বলেছেন, এটা ভুলক্রমে এটা হতে পারে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার সংলগ্ন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন শুরু থেকেই বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অন্তর্গত। ব্রিটিশ শাসনাধীনে ১৯৩৭ সালে যখন বার্মা ও ভারত ভাগ হয়, তখন সেন্টমার্টিন ভারতে পড়েছিল। ১৯৪৭ সালে ভারতে ভাগের সময় সেন্টমার্টিন পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে এটি বাংলাদেশে অন্তর্গত। ১৯৭৪ সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপপুঞ্জকে বাংলাদেশের ধরে নিয়েই মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা চুক্তি হয়।