চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮

আমার সব পুরস্কার জনগণকে উৎসর্গ করলাম: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৮-১০-০১ ১৩:৫২:১৬ || আপডেট: ২০১৮-১০-০১ ১৫:৩২:০৭

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, এবারের সফরে অনেক সম্মান পেয়েছি। বিশ্বনেতাদের দেওয়া এ সম্মান বাংলাদেশের সম্মান, পুরস্কার দেশের জনগণকে উৎসর্গ করলাম।

সোমবার (১ অক্টোবর) নিউইয়র্কে সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেই গণভবনে পাওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আত্মতুষ্টিতে না ভুগে নেতা-কর্মীদের সব সময় সর্তক থাকার একই সঙ্গে সব জায়গায় দল ও সরকারের সাফল্য তুলে ধরার জন্য।

তিনি বলেন, শত বাধা-ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই ক্ষমতায় আসতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে বলেই আজ আত্মমর্যায় প্রতিষ্ঠিত দেশ। জনসমর্থন ও একের পর এক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে পারায় টানা দু’মেয়াদে দেশের মর্যাদাপূর্ণ সব অর্জন সম্ভব হয়েছে। দলের সাফল্য সব জায়গায় তুলে ধরতে হবে। ভোটের অধিকার কেবল আওয়ামী লীগই প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে।

এদিন গণভবনে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা দলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান।

উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ছিলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন।

এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগদানের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘ সদরদফতরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন এবং জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এই সফরে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সঙ্কট, সাইবার নিরাপত্তা, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী শিক্ষা এবং বৈশ্বিক মাদকদ্রব্য সমস্যা নিয়ে কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ ছাড়া তিনি ইউএস চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজ ও গোলটেবিল বৈঠকে যোগদেন। নেদারল্যান্ডসের রানী ম্যাক্সিমা, এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালজুলেইদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেইও-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। শেখ হাসিনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া সংবর্ধনা সভায়ও যোগদেন।

এ সময় আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা ইন্টার প্রেস সার্ভিস (আইপিএস) প্রদত্ত সম্মানজনক ‘ইন্টারন্যাশনাল এ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয়দানের মাধ্যমে মানবিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করায় তাকে এই পদকে ভূষিত করা হয়। রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবেলার জন্য গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশন-এর পরিচালনা পর্ষদ তাকে ‘২০১৮ স্পেশাল রিকগনাইজেশন ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-এ ভূষিত করে।