চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

নানিয়ারচরে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশ: ২০১৮-০৯-২১ ১১:২১:২৬ || আপডেট: ২০১৮-০৯-২১ ২১:০৯:৩১

রাঙামাটিরাঙামাটির নানিয়ারচরে পাহাড়ি সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) দুই কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। দলত্যাগ ত্যাগ করে ইউপিডিএফ-এ যোগ দেওয়ার ‘অপরাধে’ এই দুই কর্মীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৩টার দিকে রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার মহালছড়ির সীমান্তবর্তী রামসুপারি পাড়া এলাকায় আকর্ষণ চাকমা (৪২) এবং শ্যামল কান্তি চাকমা সুমন্ত (৩০) নামের এই দুই সদ্য যোগ দেওয়া ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করে একদল দুর্বৃত্ত।

তবে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা)।

নিহত আকর্ষণ চাকমা একই এলাকার যুদ্ধ মোহন চাকমার ছেলে এবং শ্যামল কান্তি চাকমা সুমন্ত আদরি পেদা চাকমার ছেলে।

আকর্ষণ ও সুমন্ত কিছুদিন আগে ইউপিডিএফে যোগ দেওয়ার পর থেকে ওই এলাকায় সংগঠনটির ‘কালেক্টর’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্রের। রাতে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তাদের নিজ বাসায় গিয়ে গুলি করে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

তারা জানিয়েছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) ছেড়ে ইউপিডিএফে যোগ দেওয়ায় তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

ইউপিডিএফ এর প্রচার বিভাগের প্রধান নিরন চাকমা এই বিষয়ে এখনও কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।

অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) সহ তথ্য প্রচার সম্পাদক প্রশান্ত চাকমা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমাদের দল কোনোভাবেই জড়িত না। এই ঘটনা ইউপিডিএফ ঘটিয়ে এখন দায় আমাদের ওপর দিচ্ছে।’

নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ জানিয়েছেন, ‘রাম সুপারি পাড়া দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যার সংবাদ আমরা জেনেছি। আমরা সেই এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি। পৌঁছাতে সময় লাগবে। ফিরে এসেই বিস্তারিত জানাতে পারবো।’