চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮

টেকনাফ সীমান্তে ফের মাদক পাচারা বৃদ্ধি : নয় কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ

প্রকাশ: ২০১৮-০৯-১৯ ১৯:০৯:৫৩ || আপডেট: ২০১৮-০৯-১৯ ১৯:০৯:৫৩

আমান উল্লাহ কবির
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

চলমান মাদক বিরোধী অভিযান থাকা সত্বে ও সম্প্রতি টেকনাফ সীমান্তে মাদক পাচার বৃদ্ধি পাওয়ায় সচেতন মহলের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে। নিত্যদিন মাদকবিরোধী অভিযানে মালিক বিহীন ইয়াবার চালান আটক হলেও পাচারকারীরা অধরা রয়ে যাচ্ছে।

মাদক বিরোধী অভিযানেও টেকনাফে কোস্টগার্ড-বিজিবি পৃথক অভিযানে একদিনেই ২লাখ মালিক বিহীন ইয়াবা জব্দ করেছে।

১৯ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতের প্রথম প্রহর সোয়া ১টার দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের টেকনাফ সিজি ষ্টেশনের জওয়ানেরা সাবরাং ইউনিয়নের জালিয়া পাড়া পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবার চালান খালাসের সংবাদ পেয়ে অভিযানে যায়। এসময় একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকাকে থামানোর সংকেত দিলে নৌকা থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তা নদীতে ফেলে দিয়ে দ্রুত মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। বস্তাটি উদ্ধার করে সিজি ষ্টেশনে এনে গণনা করে সাড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যমানের ১ লক্ষ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। জব্দকৃত ইয়াবা পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

অপরদিকে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টারদিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের সাবরাং খুরেরমুখ অস্থায়ী চেকপোষ্টের নায়েক মোঃ রকিবুল হাসান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোটর সাইকেলযোগে বিশেষ টহল দল নিয়ে নয়াপাড়ায় অভিযানে যায়। এসময় ২জন লোক দেখতে পেয়ে দাড়াতে বললে অগ্রাহ্য করায় তাদের ধাওয়া করা হলে একটি পুটলা ফেলে পার্শ্ববর্তী গ্রামের ভেতর পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল হতে পুটলাটি উদ্ধার করে ব্যাটালিয়ন সদরে নিয়ে যায়।

ব্যাটালিয়নে গিয়ে টহলদল ইয়াবা পাচারকারী কর্তৃক ফেলে যাওয়া প্যাকেটটি খুলে গণনা করে ১কোটি ৫০লক্ষ টাকার ৫০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করতে সক্ষম হয়। যা পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য প্রতিনিয়ত বিজিবি-কোস্টগার্ড জওয়ানদের অভিযানে ইয়াবার বড়বড় চালান উদ্ধার করলে ও পাচারকারীদের আইনের আওতায় আনা যাচ্ছে না। ফলে মাদক পাচার ও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।