চট্টগ্রাম, , রোববার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম ফোরলেনে বসানো হচ্ছে সিসি ক্যামেরা

প্রকাশ: ২০১৮-০৯-১৫ ১৬:৫০:৫৮ || আপডেট: ২০১৮-০৯-১৫ ২২:০৪:৫২

রাজধানী ঢাকার মতো এবার ঢাকা-চট্টগ্রাম ফোরলেন মহাসড়কেও বসছে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) টিভি ক্যামেরা। এছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বর প্লেট শনাক্তকরণ যন্ত্রও কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২৬৪ কিলোমিটার রাস্তায় স্থাপন করা হবে ১ হাজার ৪২৭টি সিসি ক্যামেরা। পরে সেগুলো থেকে নেওয়া ফুটেজগুলো অ্যানালাইসিস করা হবে সফটওয়্যারের মাধ্যমে। কোনো গণপরিবহনে ছিনতাই ও ডাকাতি করলে তাৎক্ষণিকভাবে ধরা পড়বে অপরাধীরা।

দীর্ঘ সড়কজুড়ে থাকবে সিসি ক্যামেরা, উন্নত প্রযুক্তির ডিভাইস ও সফটওয়্যার সিস্টেম। ফলে সড়কে যেকোনো ধরনের অবৈধ বস্তু ১৫ মিনিটের মধ্যে শণাক্ত করে সংকেত বাজবে ও পুলিশের হাতে ধরা পড়বে। এমন কী বেপরোয়া গতির যানও ধরা পড়বে এই পদ্ধতিতে।

পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (উন্নয়ন) গাজী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, আমরা আরো দু’টি উদ্দেশ্যেকে সামনে রেখেই এমন উদ্যোগ নিতে যাচ্ছি। এই সড়কে কোনো অপরাধী গাড়ি আটকে ডাকাতি করতে পারবে না। কোনো কারণ ছাড়া ফোরলেনে সন্দেহভাজন ঘোরাঘুরি করলে ধরা পড়বে। নিরাপত্তা জোরদার হবে প্রকল্পের মাধ্যমে। বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলতে পারবে না। আমরা নির্দিষ্ট গতিসীমা বেঁধে দিয়েছি এর বেশি হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা হবে। যানবাহনের নম্বর প্লেট রিড করতে পারে এমন যন্ত্রপাতিও কেনা হচ্ছে প্রকল্পের আওতায়।

তিনি বলেন, সড়কে আমরা যেকোনো বস্তু শনাক্ত করতে পারবো। হঠাৎ কোনো বস্তু ১৫ মিনিটের বেশি সময় সড়কে থাকলে আমাদের কাছে সংকেত বাজবে। তখনই এটা উদ্ধার করা হবে। এছাড়া সড়কে থাকা কোনো সরকারি মালামাল কেউ গায়েব করলেও ধরা পড়বে। যেমন ফোরলেনে হয়তো ময়লার কোনো ডাস্টবিন আছে অনেক সময় এগুলো চুরি হয়। কেউ এগুলো চুরি করলেও ধরা পড়বে, এলার্ম জেনারেটর। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল করলেও এলার্ম জেনারেট করবে এবং ধরা পড়বে। ক্যামেরার মধ্যে থাকে থাকবে সফটওয়্যার। প্রথমে ক্যামেরার ছবি সংগ্রহ হবে। পরে ছবিটা ডাটা-সফটওয়্যারে এনালাইসিস করেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।