চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮

‘কিসের নির্বাচন’

প্রকাশ: ২০১৮-০৯-০১ ১৬:৪৫:২৯ || আপডেট: ২০১৮-০৯-০১ ১৬:৪৫:২৯

বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভোটের দরকার নাই, দরকার ক্ষমতার। ক্ষমতায় থাকলে লুট করা যায়।

তিনি বলেন, কিসের নির্বাচন? দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা ছাড়া নির্বাচন হবে না। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া নির্বাচন হবে না।

বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, সারাদেশের আকাশে বাতাসে আপনাদের পতনের আওয়াজ উঠেছে। প্রতিটি গাছের পাতায় পাতায় আপনার পতনের আওয়াজ উঠেছে। আপনাদের পতন অবশ্যম্ভাবী। কিন্ত আপনি টের পাচ্ছেন না।

জনসভা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় দুপুর ২টায়।

এতে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

ট্রাকের ওপর নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে বক্তব্য দেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব ও আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবি খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হল মিলন, ঢাকা মহনগর দক্ষিণ বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম।

এর আগে সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি ও অঙ্গ দলের নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে নেতাকর্মীদের নয়াপল্টনমুখী স্রোত তৈরি হয়েছে।

‘খালেদা জিয়া ভয় নেই রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘আজকের এই দিনে জিয়া তোমায় মনে,’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত করে তোলে নয়াপল্টনের আশপাশ এলাকা।

জনসভায় যোগ দিতে আসা গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সায়্যেদুল আলম বাবুল পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, আজকের এই জনসভা জনসমূদ্রে পরিণত হয়েছে। আমাদের একটাই দাবি দেশনেত্রীর মুক্ত চাই।