চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮

পবিত্র হজ শুরু

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-২০ ১০:৪৪:১৫ || আপডেট: ২০১৮-০৮-২০ ১০:৪৪:১৫

শুরু হয়েছে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। সোমবার (২০ আগস্ট) ফজরের নামাজের পর থেকেই আরাফাতের ময়দানে পৌঁছতে শুরু করেছেন হাজিরা। মঙ্গলবার সৌদি আরবে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

এদিকে, গতরাতে মিনায় প্রচণ্ড ধূলিঝড় ও বৃষ্টি হয়। এতে বেশ কয়েকটি তাঁবুর ছাউনি উড়ে গেলে বিপাকে পড়েন হাজিরা।

পবিত্র হজ পালনে আরাফাত ময়দানে জড়ো হয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২০ লাখেরও বেশি মুসলমান। আর কিছুক্ষণ পরই স্থানীয় সময় দুপুরে হজের খুৎবা শুরু হবে। খুৎবা শেষে মুসল্লিরা ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন আরাফাত ময়দানে । হজের সব আনুষ্ঠানিকতা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এবার ব্যাপক নিরাপত্তা গ্রহণ করেছে সৌদি সরকার।

মুসলমানদের চিরচেনা লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক ধ্বনিতে প্রকম্পিত হচ্ছে আরাফাত ময়দানের পুরো এলাকা।

দশম হিজরি অর্থাৎ ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে পবিত্র আরাফাতের ময়দানে জাবালে রহমতে দাঁড়িয়ে বিদায় হজ্জের ভাষণ দেন নবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এর পর থেকে সারা বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মানুষ প্রতিবছর ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে হজে অংশ নিয়ে আসছেন। স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে হজের খুৎবা পাঠ করবেন।

আরাফাতের ময়দানে অবস্থান হজের অন্যতম ফরজ কাজ। নিয়ম অনুযায়ী এখানে একত্রে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় শেষে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন তারা। সূর্যাস্তের পরপরই আরাফাত ময়দান ত্যাগ করে মুজদালিফা ময়দানে উপস্থিত হবেন সকলে। সেখানেই সারা রাত খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করে তারা আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগি করবেন। এরপর শয়তানকে লক্ষ করে নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন মুজদালিফা মাঠ থেকে।

১০ জ্বিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে মিনায় ফেরবেন হাজিরা। সেখানে জামারায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি ও মাথা মুণ্ডানোর পর ইহরাম ত্যাগ করবেন মসুল্লিরা। ১১ ও ১২ই জিলহ্ব পরপর দুই দিন পাথর নিক্ষেপ শেষে মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফের মধ্যদিয়ে হজের কর্মসূচি সম্পন্ন করবেন হাজিরা।

এবছর নির্বিঘ্নে পবিত্র হজের কর্মসূচি সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সৌদি সরকার। বাংলাদেশ থেকে হজ পালনে এবছর প্রায় ১ লাখ ২৭ হাজারের অধিক মুসল্লি সৌদি আরবে গেছেন।

তাদের পাশাপাশি হাজিদের অনেককেই আরাফাত ময়দানে পৌঁছাতে ব্যাপক বেগ পেতে হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিনা থেকে আরাফাতে যাওয়ার পথে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা দীর্ঘ যানজটে পড়ার কারণে চরম দুর্ভোগের কথা জানান হাজিরা।