চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮

চট্টগ্রামে উইম্যান এসএমই এক্সপো অক্টোবরে

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-১২ ০৯:৩৬:২৩ || আপডেট: ২০১৮-০৮-১২ ০৯:৩৬:২৩

নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আগামী ১৫ অক্টোবর শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ১২তম ইন্টারন্যাশনাল উইম্যান এসএমই এক্সপো বাংলাদেশ। এবারের মেলায় ইরান, ভারত, চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডের উদ্যোক্তারা অংশ নেবে।

চিটাগং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিডব্লিউসিসিআই) কার্যালয়ে শনিবার (১১ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান মেলা কমিটির চেয়ারপারসন ডা. মুনাল মাহবুব।

তিনি জানান, সিডব্লিউসিসিআই ২০০২ সাল থেকে পাঁচ বছর এ অঞ্চলের নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য বাজারজাত করার লক্ষ্যে বাওয়া স্কুল মাঠে আয়োজন করেছিল উই ঈদবাজার। এরপর ১১ বছর পলোগ্রাউন্ডে ইন্টারন্যাশনাল এসএমই এক্সপো আয়োজন করা হয়। যা দেশে নারী উদ্যোক্তাদের সবচেয়ে বড় মেলা। ১২তম মেলাটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার এসএমই খাতের নারী উদ্যোক্তাদের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য সম্মিলন।

তিনি জানান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, এফবিসিসিআই, শিল্প মন্ত্রণালয়ের এসএমই ফাউন্ডেশন, জুট ডাইভার্সিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত এসএমই এক্সপোতে এবার ছোট-বড় ৩৫০টি স্টল ও ১৫টি প্যাভেলিয়ন থাকবে। যেখানে নারী উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিশুদের বিনোদনের জন্য পার্ক, আকর্ষণীয় তোরণ, দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা, সুউচ্চ টাওয়ার থাকবে। শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে টিকিট দেওয়া হবে স্কুলে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য বেগম সাবিহা নাহার, সিডব্লিউসিসিআই সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবিদা আজাদ, রুহী মোস্তফা, সহ-সভাপতি জেসমিন আক্তার প্রমুখ।

মনোয়ারা হাকিম আলী বলেন, উইম্যান চেম্বার গড়ার সময় চট্টগ্রামের নারীদের দুইটি প্রধান সমস্যা ছিল। একটি হচ্ছে বাজারে প্রবেশাধিকারের, অন্যটি ব্যাংকঋণের। এখন নারীরা উদ্যোক্তা থেকে প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি হয়েছেন। নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছেন। কর্মসংস্থানের নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) কাছে আমরা জমি চেয়েছি। ১০০ নারী উদ্যোক্তা শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী। তাদের নিয়ে আমরা উইম্যানস ইন্ডাস্ট্রি জোন গড়তে চাই। নারী উদ্যোক্তাদের একটি ব্যাংক গড়তে চাই।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে সত্যিকারের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করতে হবে। কেন আমাদের মেলায় বিদেশিরা কম আসেন? একটাই কারণ, তাদের ঢাকায় নেমে চট্টগ্রামে কানেকটিং ফ্লাইটে আসতে হয়। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যত বেশি বিদেশি এয়ারলাইন্স নামবে তত বেশি বিদেশি বিনিয়োগ, বায়ার, পর্যটক চট্টগ্রামে আসবেন। বিমানবন্দর ডেভেলপমেন্ট করতে হবে।

সংসদ সদস্য সাবিহা নাহার বলেন, সিভিল এভিয়েশন সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটিতে থাকায় সম্প্রতি আমরা শাহ আমানত বিমানবন্দর নিয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়েছি। সেখানে অনেক ত্রুটি যেমন আছে তেমনি উন্নয়নের সুযোগও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য আন্তরিক। আশাকরি, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন হয়ে যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এসএমই এক্সপোর বিভিন্ন উপ-কমিটির দায়িত্বে থাকা জোবাইরা শাকি, নাজমা আকতার, বেবি হাসান, রোজিনা আকতার, তানিয়া কাসেম, রোকেয়া রহমান, রেখা আলম চৌধুরী প্রমুখ।