চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮

প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-১০ ১১:৪২:৩২ || আপডেট: ২০১৮-০৮-১০ ১১:৪২:৩২

প্রেমের টানাপোড়নে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। ওই দুই শিক্ষার্থী ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, আত্মহত্যাকারী মেয়েটির নাম মুমতাহিনা মুমু হেনা। তার বাসা সাতক্ষীরা জেলায়। তিনিবিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আশরাফুল ইসলামের মেয়ে বলে জানা গেছে। আর আত্মহত্যাকারী ছেলেটির নাম রোকনুজ্জামান রোকন। তার বাসা চুয়াডাঙ্গা জেলায়। উভয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১১-২০১২ বর্ষের মাস্টার্স শেষ বর্ষের অধ্যয়নরত ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

নিহতদের সহপাঠীরা জানান, ছাত্রী হেনার সঙ্গে একই বিভাগের ছাত্র রোকনুজ্জামান রোকনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। নিজেদের সম্পর্কে টানাপোড়নের কারণে হেনা নামের ওই ছাত্রী গতকাল রাতে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করে। এদিকে প্রেমিকার এমন আত্মহত্যার কথা শুনে রোকনুজ্জামান রোকনও আত্মহত্যা করেন। রাত সাড়ে আটটার দিকে সদর উপজেলার মতি মিয়ার রেলগেইট নামক স্থানে পোড়াদহ থেকে ছেড়ে আসা গোয়ালন্দগামী শাটল ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন রোকন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, আমি আনুমানিক রাত আটটার দিকে বিষয়টি জানতে পারি। আত্মহত্যাকারী দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে হঠাৎ দুজনই কি কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। ওই দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও প্রক্টর নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে পোড়াদহ জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আজিজ বলেন, ওই ছাত্রের মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।