চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮

ফেসবুকে শুরু হয়েছে কন্টেন্ট ফিল্টারিং

প্রকাশ: ২০১৮-০৮-০৮ ১৯:৫৭:০৭ || আপডেট: ২০১৮-০৮-০৯ ১৩:০১:৫৭

ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ‘কন্টেন্ট ফিল্টারিং’ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ফলাফল আসবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার রাজধানীর হোটেল রেডিসনে আয়োজিত টেলিযোগাযোগ খাতের আন্তর্জাতিক ফোরামের (১৮তম এপিটি পলিসি এবং রেগুলেটরি ফোরাম) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা জানান তিনি।

‘কন্টেন্ট ফিল্টারিংয়ে’ ব্যক্তি স্বাধীনতা বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার বলেন, বিষয়টা হচ্ছে আপনার কাছে হাতিয়ার আছে, এ হাতিয়ার কিভাবে ব্যবহার করবেন। আমরা প্রযুক্তি গ্রহণ করছি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কিংবা কোনো স্বাধীনতা হরণ করতে চাচ্ছি না। তবে স্বাধীনতার নাম যদি কিছু করা হয়, যা স্বাধীনতা হরণ, সেটা তো প্রটেক্ট করতে হবে।

তিনি বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহার করা নানা ধরনের অপকর্ম করা হয় ব্যক্তি, সরকার বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। ফলে ইন্টারনেট লাগামহীনভাবে ব্যবহার করা হোক কোনো রাষ্ট্রই চাইতে পারে না। আমরা ইন্টারনেটের ভালোটা চাই কোনোভাবেই এর অপব্যবহার চাই না। বিশেষ করে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়ে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, তখন রাষ্ট্র কোনো সময়ই নিশ্চুপ থাকতে পারে না। ইন্টারনেটের মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, যা নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। এসব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে ব্যবস্থা নিতেই হবে।

‘কন্টেন্ট ফিল্টারিং’ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা, ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে ধরনের অপকর্ম বা অপরাধ করা হয় তা খুঁজে বের করা, চিহ্নিত করা এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার প্রমুখ।

আইটিইউ ও এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের টেলিকম সংস্থার (এপিটি) উদ্যোগে এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও বিটিআরসির যৌথ আয়োজনে হচ্ছে টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের এই সম্মেলন। এতে অংশ নিচ্ছেন এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলসহ আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) বিভিন্ন দেশের রেগুলেটর প্রধান, সংস্থা প্রধান, অপারেটর, টেলিকম ও আইসিটি এক্সপার্টসহ প্রায় ১৩০ জন প্রতিনিধি।