চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮

ভরসা এখন ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-২৭ ১৪:৩১:৩৯ || আপডেট: ২০১৮-০৭-২৮ ১৩:০৩:৫২

আখতার হোসাইন

ইট-কংক্রিটের চট্টগ্রাম নগরীতে বাঁশের সাঁকোর কথা ভাবা যায় না। তবুও এমন ভাবনাকে সত্যি করে দিয়েছে বাকলিয়া দিয়ে বেঁয়ে যাওয়া চাক্তাই খালের বেশ কিছু বাঁশের সাঁকো। এসব এলাকা সিটি কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত। প্রতিদিন এসব সাঁকো দিয়ে পার হন লাখো মানুষ। যারা সাঁকো দিয়ে চলতে অভ্যস্ত নন, তারা পড়েন মহাবিপাকে। প্রয়োজনের তাগিদে সাঁকো পেরোতে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা হয় তাদের। শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদেরও ভরসা এই বাঁশের সাঁকো। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে হয় তাদের। মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটছে।

দেখা গেছে, চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার হয়ে বাকলিয়া দিয়ে বেঁয়ে যাওয়া চাকতাই খালের ধুনির পুল থেকে রসুলবাগ এলাকার মধ্যে খাল পারাপারের জন্য ছিল তিনটি ব্রীজ। খালের পাড় বাঁধার অযুহাতে তিনটি ব্রীজই এক সাথে ভেঙ্গে দেয়া হয়। ফলে বাকলিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ শিক্ষার্থী ও এলাকার কয়েক লক্ষ মানুষকে প্রায় ১/২কিলোমিটার পথ অতিরিক্ত হেঁটেই যেতে হচ্ছে কর্মস্থল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এই অতিরিক্ত পথ হেঁটে যেতেও সময় প্রয়োজন ঘন্টা খানেক। তাই এই খাল পারাপারের জন্য স্থানীয়রা তৈরী করেছে বাঁশের সাঁকো। এই সাঁকো নির্ভর এলাকার কয়েক লক্ষ মানুষ।

স্থানীয় আহমদ কবির জানান, যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা না করে একসাথে তিনটি ব্রীজ উচ্ছেদ করে জনগণকে বেকায়দায় ফেলা হয়েছে। প্রতিদিন কয়েক লক্ষ মানুষ এ ব্রীজ দিয়ে যাতায়াত করতো। বিশেষ করে এই এলাকাতে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে এসব বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করছে। সময়ে সময়ে দুর্ঘটনাও ঘটছে। তিনি এ সব এলাকা যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।