চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮

ই-পাসপোর্টের সঙ্গে চালু হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-২০ ১১:২৯:৫৭ || আপডেট: ২০১৮-০৭-২০ ১৭:৫২:৫০

ই-পাসপোর্ট চালু করতে জার্মান কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশএ বছরের শেষ নাগাদ কিংবা আগামী বছরের শুরুতে স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল পদ্ধতি চালু করছে সরকার।

স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনার আওতায় দেশের ইমিগ্রেশন চেকপোস্টসমূহে স্থাপন করা হবে ৫০টি ই-গেট।

‘ই পাসপোর্ট প্রবর্তন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্পের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলো স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্টরা এসব তথ্য জানান।

পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রেজোয়ান জানান, ‘স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনায় থাকবে ই-গেট।

এই ই-গেটে দ্রুততম সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাসপোর্ট রিডার ও ক্যামেরার সাহয্যে চিপযুক্ত পাসপোর্ট যাচাই ও ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।

ভেরিফিকেশনে ব্যক্তির তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে ই-গেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে।

এ ব্যবস্থায় ভ্রমণকারীর পরিচিতি যাচাইয়ের মাধ্যমে দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা অধিকতর কার্যকরভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপায়ণের ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ই-পাসপোর্ট চালু করতে জার্মান কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর।

জার্মানির ভেরিডোস কোম্পানির সঙ্গে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর গর্ভমেন্ট টু গর্ভমেন্ট (জি টু জি) টার্ন কি পদ্ধতিতে ‘ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

বাংলাদেশে ৭২টি পাসপোর্ট অফিস, বিদেশে ৮০টি মিশন, ৭২টি এসবি-ডিএসবি অফিস, ২২টি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টসহ সব অফিসে প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক প্রদান করা হবে।

এই প্রকল্পের আওতায় ১০০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জার্মানিতে দুই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।